• ঢাকা
  • সোমবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং | ১লা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৫ই মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী

রাত ২:৪৫

৩ জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৩


অনলাইন ডেস্ক : তিন জেলায় বন্দুকযুদ্ধে তিনজন নিহত হয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি নিহতদের দুইজন মাদক ব্যবসায়ী। 

বৃহস্পতিবার ভোরে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলা ভূজপুর থানার কোঠবাড়িয়া গ্রামের শিকদারপাড়া এলাকায়  র‌্যাবের সঙ্গে সন্ত্রাসীদের কথিত বন্দুকযুদ্ধে একজন নিহত হয়েছেন। এসময় ঘটনাস্থল থেকে একটি একে-২২ অস্ত্রসহ ৬৩ রাউন্ড গুলি, একটি রামদা ও সাড়ে ৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে নিহতের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

র‌্যাব-৭ এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাশকুর রহমান বলেন, ভূজপুর থানার কোঠবাড়িয়া গ্রামের শিকদারপাড়া এলাকায় র‌্যাবের টহল দলের সঙ্গে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনাস্থল থেকে একজনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এছাড়া, গাজীপুরের সালনায় র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে সুজন মিয়া নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত ওই যুবক অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ী বলে দাবি করেছে র‌্যাব। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত সুজন মিয়া সিটি করপোরেশন এলাকার টঙ্গীর আরিচপুরের চাঁন মিয়ার ছেলে।

র‌্যাব-১ এর সহকারি পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান জানান, সিটি করপোরেশনের সালনা এলাকায় কয়েকজন অস্ত্র ব্যবসায়ী জড়ো হয়ে অস্ত্র কেনা বেচা করছে- এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি দল বুধবার দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে অভিযান চালায়। এসময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে অস্ত্র ব্যবসায়ীরা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছুড়লে সুজন মিয়া গুলিবিদ্ধ হন এবং অপর সহযোগীরা পালিয়ে যান। এসময় গোলাগুলিতে র‌্যাবের সৈনিক কামরুল ইসলাম আহত হন। পরে গুলিবিদ্ধ সুজন মিয়াকে উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজে নেয়া হলে সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থল থেকে দুটি শটগান, ২টি ওয়ান শুটার, ৯ রাউন্ড কার্তুজ ও ১২শ’ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। নিহত সুজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১৩টি মামলা রয়েছে। এগুলোর মধ্যে ১১টি মাদক, একটি অস্ত্র ও অপরটি হত্যা মামলা।

অপরদিকে কুমিল্লায় ডিবি পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রাসেল নামে তালিকাভুক্ত এক শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশের ২ সদস্য আহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার গভীর রাতে জেলার সদর উপজেলার গোমতী নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ সংলগ্ন শ্রীপুর এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

নিহত রাসেল সদর উপজেলার পাঁচথুবী ইউনিয়নের দক্ষিণ বাগবের গ্রামের হারু মিয়ার ছেলে। তার বিরুদ্ধে থানায় ৮-১০টি মামলা রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান, একটি রামদা ও সাড়ে ৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বলে নিশ্চিত করেছেন জেলা ডিবি পুলিশের ওসি মো. মাঈন উদ্দিন খান।