• ঢাকা
  • সোমবার, ২১শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং | ৬ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২১শে সফর, ১৪৪১ হিজরী

সকাল ৮:৩৪

হতাশার সপ্তাহ পার: ১৫’তে নেমে এসেছে ডিএসই’র পিই


শেয়ারবাজার রিপোর্ট: আতঙ্ক আর হতাশার আরেকটি সপ্তাহ পার করেছে পুঁজিবাজার। দরপতন হতে হতে বর্তমানে ঢাক স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রাইস আর্নিং রেশিও (পিই) ১৫ এর ঘরে নেমে এসেছে। অবশ্য এতো কম পিই থাকায় বর্তমান বাজার বিনিয়োগ উপযোগী বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

ডিএসই সূত্রে জানা যায়, সাপ্তাহিক ব্যবধানে দেশের উভয় পুঁজিবাজারে সূচকের পতন ঘটেছে। সপ্তাহজুড়ে লেনদেন হওয়া ৫ কার্যদিবসের মধ্যে দুই দিন কমেছে সূচক। বাকি তিন কার্যদিবস সূচক বাড়লেও এর মাত্রা ছিলো সামান্য। এদিকে সূচকের পাশাপাশি কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর। তবে টাকার অংকে গত সপ্তাহে লেনদেনের পরিমান কিছুটা বেড়েছে। আলোচিত সপ্তাহটিতে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ১২ কোটি ৬৬ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫০ টাকা। এছাড়া গত সপ্তাহে ডিএসই’র পিই রেশিও দাঁড়িয়েছে ১৫.৯২ যার তার আগের সপ্তাহে ছিলো ১৬.০২।

সাপ্তাহিক বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সপ্তাহ শেষে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স বা ডিএসইএক্স সূচক কমেছে ০.৮৩ শতাংশ বা ৪৫.৮৩ পয়েন্ট। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসই-৩০ সূচক বেড়েছে ১.০৩ শতাংশ বা ২০.২২ পয়েন্ট। অপরদিকে শরীয়াহ বা ডিএসইএস সূচক কমেছে ০.৯৪ শতাংশ বা ১২.০৪ পয়েন্ট। আর সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত মোট ৩৫২টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১২৪টির কোম্পানির। আর দর কমেছে ১৮৯টির, অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৭টির এবং লেনদেন হয়নি ২টির। এগুলোর ওপর ভর করে গত সপ্তাহে লেনদেন মোট ২ হাজার ১২ কোটি ৬৬ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫০ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। তবে এর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয় ১ হাজার ৪৪৬ কোটি ৪ লাখ ১৮ হাজার ৩০৮ টাকার। সেই হিসাবে সমাপ্ত সপ্তাহে লেনদেন বেড়েছে ৩৯.১৮ শতাংশ।

আর সমাপ্ত সপ্তাহে ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৯১.১২ শতাংশ। ‘বি’ ক্যাটাগরির কোম্পানির লেনদেন হয়েছে ৬.৪৬ শতাংশ। ‘এন’ ক্যাটাগরির কোম্পানির লেনদেন হয়েছে ১.৩০ শতাংশ। ‘জেড’ ক্যাটাগরির লেনদেন হয়েছে ১.১৩ শতাংশ।

সপ্তাহ শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সেচঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএসসিএক্স ৯১.৬০ পয়েন্ট বা ০.৮৯ শতাংশ কমে সপ্তাহ শেষে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ১৩৫ পয়েন্টে। আর সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে হাতবদল হওয়ার ২৯৭টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১০৬টি কোম্পানির। আর দর কমেছে ১৬৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬টির। এগুলোর ওপর ভর করে বিদায়ী সপ্তাহে ১৩৫ কোটি ৪১ লাখ ২০ হাজার ৬০১ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।