• ঢাকা
  • সোমবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং | ১লা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৫ই মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী

রাত ৪:১৫

স্বস্তির ঈদ যাত্রায় ধন্যবাদ সরকারকে


মো : সাহেদ : বলার অপেক্ষা রাখে না যে, আগের যেকোনো বছরের তুলনায় এবার ঈদ যাত্রা ছিল অনেকটাই স্বস্তির। ঈদযাত্রায় যে কয়েকটি জায়গায় সীমাহীন যানজটের সৃষ্টি হতো এবার সে জায়গাগুলোতে যানজট তুলনামূলকভাবে অনেক কম ছিল। কিছু ট্রেন দেরিতে ছাড়লেও যাত্রীরা আগের তুলনায় অনেক স্বচ্ছন্দে গন্তবে যেতে পেরেছে। অন্যবারের চেয়ে এবার ট্রেনের সংখ্যাও ছিল বেশি। লঞ্চেও যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় অন্যান্য বছরের তুলনায় কম ছিল। ভাড়া নিয়ে কিছু অভিযোগ থাকলেও অতীতের মতো প্রকট ছিল না। সর্বোপরি দুর্ঘটনার সংখ্যাও ছিল অনেক কম। ট্রেনে কিংবা নৌপথে কোনো  বড় ধরনের দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। সড়কেও দুর্ঘটনা কমই হয়েছে।

তবে কয়েক দিনে ছোট খাটো দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ৩৫ জনেরও বেশি। দ্রুত গতিতে গাড়ি চালানোই এসব দুর্ঘটনার প্রধান কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কেবল রাস্তা ঘাট মেরামত করলেই হবে না, চালকদের নিয়ম মেনে গাড়ি চালাতে হবে । আর মোটরসাইকেলকে অনেকেই একটি বিপজ্জনক বাহন হিসেবে উল্লেখ করছেন। এরা রাস্তায় ন্যূনতম নিয়ম-কানুন মানে না। ডানে-বাঁয়ে যখন যেদিকে খুশি ঘুরিয়ে দিয়ে আগে যাওয়ার চেষ্টা করে। ১০০ কিলোমিটার বা তারও বেশি গতিতে গাড়ি চালাতে শুরু করে। ঈদের দিন ও ঈদের পরের দিনের দুর্ঘটনাগুলো অতিরিক্ত গতির কারণেই ঘটেছে বলে মনে করেন তাঁরা।

সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার দাবি দীর্ঘদিনের। এ নিয়ে অনেক আন্দোলনও হয়েছে। কিন্তু সড়কে  শৃঙ্খলা ফিরছে না। আমাদের দেশে এখনে গতিমাপক যন্ত্র বসেনি।দ্রুত এ কাজটি করতে হবে । হাইওয়ে পুলিশ ও ট্রাফিক বিভাগকে সক্রিয় করতে হবে। প্রধান সড়কগুলোতে গতিসীমা নির্ধারণ করে দিতে হবে। চালকেরা গতিসীমা  লঙ্ঘন করলেই তাকে আইনের আওতায় নিয়ে শাস্তির বাস্তবায়ন করতে হবে। আমরা আশাকরি এবারের চেয়েও আগামী ঈদ যাত্রা  হবে আরো নিরাপদ, আরো স্বস্তির।