• ঢাকা
  • সোমবার, ১৮ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং | ৩রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৯শে রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী

ভোর ৫:২৫

স্কুলছাত্রকে মেরে বাসের নিচে ফেলে দেয়া আসামি গ্রেফতার


নতুন কাগজ ডেস্ক: বড় ভাইয়ের কাছে ৫০০ টাকা চাঁদা দাবি করে না পেয়ে ছোট ভাই স্কুলছাত্র আব্দুর রশীদকে (১১) কুপিয়ে আহত করার পর চলন্ত বাসের নিচে ফেলে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার প্রধান আসামি মোজাফফর হোসেনসহ (২২) দুইজনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১৩।
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) ভোরে রংপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল সংলগ্ন রংপুর-বদরগঞ্জ সড়ক থেকে মোজাফফরকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তুল ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে র‍্যাব। বেলা সাড়ে ১১টায় র‍্যাব-১৩ এর সদর দফতরে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান র‍্যাব-১৩ অধিনায়ক রেজা আহমেদ ফেরদৌস।
মোজাফফর নগরীর কেরানীপাড়া এলাকার কামাল হোসেনের ছেলে। র‍্যাবের অপর একটি দল নগরীর সাহেবগঞ্জ মাছহাড়ি এলাকা থেকে নিশাদ আহমেদ জয় (২১) নামে আরও এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে। নিশাদ কেরানীপাড়া এলাকার জুয়েল আহমেদের ছেলে এবং মামলার তিন নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।
র‍্যাব-১৩ অধিনায়ক রেজা আহমেদ ফেরদৌস জানান, পূর্ব শত্রু তার জেরে ২৯ আগস্ট রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর টেক্সটাইল মোড় এলাকায় স্কুলছাত্র রশীদকে নৃশংসভাবে হত্যা করে মোজাফফর ও তার সহযোগিরা। এ ঘটনায় ৩০ আগস্ট তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২/৩ জনকে আসামি করে নিহত রশীদের বাবা শহিদার রহমান বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন।
তিনি বলেন, ৩১ আগস্ট এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আলামিন সরদার বাবু (২৫) নামে একজনকে গ্রেফতার করে র‍্যাব-১৩ এর সিপিএসসি ক্যাম্পের একটি দল। ভোরে পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে মোজাফফর ও নিশাদকে গ্রেফতার করা হয়।

নতুন কাগজ/আরকে

গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও তিনি জানান।

প্রসঙ্গত, ঘটনার কয়েকদিন আগে রশীদের বড় ভাই মোহনের (৩০) কাছে ৫০০ টাকা দাবি করে এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী মোজাফফর হোসেন। তিনি টাকা না দেয়ায় তাকে মারধর করে সন্ত্রাসী মোজাফফর। এ ঘটনার বিচার দাবি করে মোজাফফরের বাবা কামালের কাছে অভিযোগ করেন মোহন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের দেখে নেয়ার হুমকি দেয় মোজাফফর।

এরই জেরে ২৯ আগস্ট রাতে টেক্সটাইল মোড় থেকে বাড়ি ফেরার পথে মোজাফফর ও তার সহযোগিরা রশীদকে আটক করে লাঠি দিয়ে পেটায় ও ছুরি দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। একপর্যায়ে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে রশীদকে চলন্ত একটি গাড়ির নিচে ফেলে দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় রশীদ। এ ঘটনায় ১ সেপ্টেম্বর ভোরে পঞ্চগড়ের সুগার মিল এলাকা থেকে এজাহার নামীয় দুই নম্বর আসামি মন্টি হোসেনকে (১৯) গ্রেফতার করে নগরীর কোতোয়ালি থানা পুলিশ।