• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১২ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং | ২৭শে কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৩ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী

ভোর ৫:১৩

সৌদি বাদশাহর মেয়ের ১০ মাসের জেল


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্যারিসে নিজের অ্যাপার্টমেন্টে এক কর্মীকে মারধরের দায়ে সৌদি রাজকন্যা হাসা বিনতে সালমানের দশ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ফ্রান্সের একটি আদালত। স্বয়ং রাজকন্যার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এবং এত বড় শাস্তির কথা শুনে সকলেই স্তম্ভিত। বৃহস্পতিবার একই আদালত রাজকন্যার দেহরক্ষেকেও ১০ মাসের কারাদণ্ড দেন।
তিন বছর আগে অন্য দেশে গিয়ে, ১০ মাসের কারাদণ্ড আর ১০ হাজার ইউরো জরিমানার মুখে পড়লেন তিনি! এই অংক ৯ লক্ষ টাকার বেশি।
আইনজীবীদের অভিযোগ, রাজকন্যা হাসা বিনতে সালমান প্যারিসে এক বাথরুম মেরামতকারীকে তার ছবি তুলতে দেখে খেপে যান। রাজকন্যা হাসাকে ক্ষতি করার জন্য ওই ছবি ব্যবহার করা হতে পারে এমন ভয়ে তিনি এ কাজ করে বলে জানা যায়।
২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের এ ঘটনার পরই ফ্রান্স ছেড়ে চলে যান রাজকন্যা হাসা। তবে বৃহস্পতিবার ওই রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন না সৌদি প্রিন্সেস।
কারাদণ্ডের রায় ঘোষণার পর হাসার আইনজীবী ইমানুয়েল মইন বলেন, তাঁর মক্কেল অত্যন্ত বিনয়ী, ভদ্র এবং সংস্কৃতিমনা। তাঁরা এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন।
জানা যায়, প্যারিসে হাসার বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে কাজ করা সংশ্লিষ্ট কর্মীর নাম আশরাফ ইদ। তিনি মিসরের নাগরিক। মামলায় আশরাফ ইদ অভিযোগ করেন, ঘটনার দিন তাকে ওই অ্যাপার্টমেন্টের ষষ্ঠ তলায় ডেকে নেওয়া হয় এবং রাজকুমারীর পায়ের পাতায় চুম্বন করতে বাধ্য করা হয়। একপর্যায়ে হাসা বিনতে সালমানের নির্দেশে তাঁর দেহরক্ষী ওই কর্মীকে মারধর করেন, তাকে কয়েক ঘণ্টা বেঁধে রাখেন।
তবে রাজকন্যা তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তার ভাষ্য, ওই কর্মী মোবাইলে তার (রাজকন্যা) ছবি তুলেছেন। ছবি তুলে সেগুলো বিক্রি করার মতলব এঁটেছিলেন। যদিও মারধরের শিকার ওই কর্মী বলছেন, তাকে শৌচাগারের বেসিন সংস্কার করার জন্য ডাকা হয়েছিল। ওই কাজের জন্যই তিনি শৌচাগারের ছবি তুলেছিলেন। রাজকন্যার ছবি তোলেননি তিনি।

নতুন কাগজ/আরকে