• ঢাকা
  • বুধবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং | ৮ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২৩শে সফর, ১৪৪১ হিজরী

সন্ধ্যা ৭:৩৫

‘সৌদি আরবের কারণেই দুর্ভোগে পড়েছেন বাংলাদেশের হজযাত্রীরা’


সৌদি আরব কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে হজ যাত্রীদের ভিসা প্রক্রিয়া শুরু হয়নি, আর এ কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন বাংলাদেশের হজযাত্রীরা। এমন অভিযোগ করে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ বলেছেন, গত ১৮ জুন থেকে হজ যাত্রীদের ভিসা দেওয়ার কথা। কিন্তু সৌদি কর্তৃপক্ষ বলেছে, তাদের প্রস্তুতির অভাব রয়েছে। তাই ওই দিন ভিসা কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি। আগামী দুই-একদিনের মধ্যে ভিসা কার্যক্রম শুরু হবে বলে আশা করছি।

আজ বুধবার (১৯জুন) রাজধানীর আশকোনা হজ ক্যাম্পে ‘হজ চিকিৎসক দলের প্রশিক্ষণ ২০১৯’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আব্দুল্লাহ বলেন, এবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৫০ শতাংশ ও সৌদি এয়ারলাইন্স ৫০ শতাংশ যাত্রী পরিবহন করবে। ইতোমধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৬০ হাজার টিকিট বিক্রি করেছে। সৌদি এয়ারলাইন্স ৩০ হাজারের মতো টিকিট বিক্রি করেছে। বাকি ১০ শতাংশ টিকিট শিগগির বিক্রি শেষ হবে। ফলে এবার যাত্রী পরিবহন নিয়ে কোনো সমস্যা তৈরি হবে না। আশা করি বিমান শিডিউল বিপর্যয়ে পড়বে না।

তিনি আরো বলেন, অতীতের যেকোনো বছরের তুলনায় এবার হজ যাত্রা স্বাচ্ছন্দময় হবে। আমরা হজ যাত্রীদের সেবা দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। আর হজ সেবা শুধু আমরা চাইলেই সর্বোচ্চ দিতে পারব না, এটা সৌদি কর্তৃপক্ষের ওপর নির্ভর করে। তারা প্রতিনিয়ত নতুন পদ্ধতি নিয়ে আসছে। আমরা সুবিধা চাই, কিন্তু তারাও চেষ্টা করছে।

এ সময় হজ যাত্রীদের সেবা দিতে চিকিৎসক দলে অন্য বছরের মতো ক্লিনার-চালকের মতো লোক যাবে কি-না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা এ বছর সব অফিসকে অনুরোধ করেছি, যোগ্যতার বাইরে কেউ যাতে না যায়। হজ পবিত্রতম জায়গা। এখানে যেনো যোগ্যতম লোক দেওয়া হয়। সেবা দেওয়ার জন্য চিকিৎসকরা যাবে। সেখানে গিয়ে যাতে শপিং না করে অযথা ঘুরে না বেড়ায়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে এটা নিশ্চিত করতে বলেছি।

তিনি আরো বলেন, সরকার ইচ্ছে করলেও নিজেদের মতো করে সেবা দিতে পারবে না। সৌদি যেভাবে চায়, সেভাবেই সবকিছু করতে হয়। সেখানে চাইলেও অনেক কিছু করা যায় না। আমরা তারপরও সব চেষ্টা করব সর্বোচ্চটা দেওয়ার। অতীতে হজ ব্যবস্থাপনায় যেসব ঘাটতি ছিল, এবার তা থাকবে না।

এ ছাড়াও হজ যাত্রীদের জন্য জেদ্দা, মক্কা ও মদিনায় তিনটি মেডিকেল ক্যাম্প থাকবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, হজ যাত্রীরা যেনো সেবা পায়, সেজন্য চিকিৎসকদের সচেষ্ট থাকতে হবে।