• ঢাকা
  • রবিবার, ৩১শে মে, ২০২০ ইং | ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৭ই শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী

দুপুর ১:০৫

সুনামগঞ্জে রাতের আঁধারে চলছে বালু-পাথর উত্তোলন




সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সরকারী নীতিমালার তোয়াক্ষা না করেই তাহিরপুরে চলছে বালু ও পাথর উত্তোলনের মহোৎসব। শত শত শ্রমিক বোমা মেশিন দিয়ে বালু ও পাথর উত্তোলন করায় করোনাভাইরাসের ঝ্ুঁকিও বাড়ছে।

স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই রাতের আঁধারে যাদুকাটা নদীর তীর কেটে ও বড় বড় গর্ত করে উত্তোলন করছে গড়কাটি গ্রামের শফিক মিয়াসহ একটি প্রভাবশালী চক্র। বালু খেকো শফিকের নেতৃত্বে গড়কাটি ব্রীজের দক্ষিনে প্রায় ৩৫ টি গর্ত করে রাতের আঁধারে শত শত শ্রমিক নিয়ে বালু ও পাথর উত্তোলন করে হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা।

এসব গর্ত থেকে বালু ও পাথর উত্তোলনের মহোৎসব স্থানীয়রা যেমন জানেন, প্রশাসনও এভাবেই অবগত আছেন। মাঝে মাঝে প্রশাসনের লোক দেখানো অভিযান হলেও থেমে নেই বালু পাথর উত্তোলনের কাজ। জানাযায়, দিনের বেলায় এ বালু মহাল ফাঁকা থাকলেও রাতের বেলায় শত শত শ্রমিকের ঢল নামে। আর এসব শ্রমিকদের নিয়ন্ত্রন করছেন বালু খেকো গড়কাটি গ্রামের মৃত সবুজ মিয়ার ছেলে শফিক মিয়া ও প্রভাবশালীরা।

এদিকে  লাওড়েরগর এলাকায় বালু উত্তোলনকারীরা প্রতি সেইভের নৌকা থেকে ১ হাজার টাকা করে চাঁদা আদায় করছেন। এবং রাতের আঁধারে নদীর পাড় কাটারও  নেতৃত্বে দিচ্ছেন  ঢালারপাড় সাইদ ভান্ডারীর ছেলে সুমন, ঢালারপাড় গ্রামের ইছু মিয়ার ছেলে রুহুল। তার পাশেই মানিগাঁও এলাকায় অবৈধভাবে বালু ও পাথর উত্তোলন করছে নোয়াজ আলী মেম্বার। যাদুকাটা নদীর ঝালরট্যাক এলাকায় বালু ও পাথর  উত্তোলন করছে ঘাগটিয়া গ্রামের তাজুল ইসলাম মড়ল ও মনির উদ্দিন মেম্বারের লোকজন। স্থানীয় বাসিন্ধারা জানান, যাদুকাটা নদীর দুই পাশে বোমা মেশিন দিয়ে গর্ত করে বালু ও পাথর উত্তোলন করছে প্রভাবশালীরা। পুলিশ নামমাত্র অভিযান পরিচালনা করলেও তা বন্ধ হচ্ছেনা। রাতের আঁধারে শত শত শ্রমিকরা কাজ করছে।

স্থানীয় এক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, করোনা ভাইরাসের ঝুঁকিতে রাতে  বালু মহালে  ঢল নামে শ্রমিকদের। যেকোন সময় করোনা আক্রান্তের আশঙ্কা করছি আমরা। প্রশাসনের উচিৎ আরো নজরদারী বাড়ানো। এ ব্যাপারে শফিক মিয়া বলেন, আমি বালু মহাল নিয়ন্ত্রন করিনা। দায়িত্বে আছে  গড়কাটি গ্রামরে আব্দুৃর সাহিদ, কিরন বাবু। আমার একটি কোয়ারী আছে তাই আমি এদের সাথে আছি।
তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আতিকুর রহমান বলেন, ২৬ তারিখের পর থেকে কোয়ারীতে সব কর্মকান্ড বন্ধ আছে।