• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং | ৯ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২৩শে সফর, ১৪৪১ হিজরী

ভোর ৫:৫৭

সিনহার দুর্নীতি মামলার প্রতিবেদন তারিখ পিছিয়ে ১৬ মে


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ রোববার (৭ এপ্রিল) সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার ( এসকে সিনহা) বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ঠিক থাকলেও প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়ে আগামী ১৬ মে দিন ঠিক করেছেন আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এজন্য ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এ নতুন তারিখ ঠিক করেন।

২০১৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর শাহবাগ থানায় মামলাটি দায়ের করেন সাবেক বিএনপি নেতা ও বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট অ্যালায়েন্সের (বিএনএ) সভাপতি ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা। এর পর গত ২৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা সিএমএম আদালতের শাহবাগ থানার জেনারেল রেকর্ডিং (জিআর) শাখায় পাঠানো হয়। সেখান থেকে গতকাল বিকেলে মামলাটি দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত হওয়ায় দুদক জিআর এ পাঠায়।বিজ্ঞাপন

মামলায় অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে নাজমুল হুদা ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। যার মধ্যে দুর্নীতির একটি মামলা ২০১৬ সালের ২৩ মার্চ হাইকোর্ট বাতিল করেন। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ৭ জুন সুরেন্দ্র কুমার সিনহা দুদকের লিভ টু আপিল খারিজ করেন। এই পরিস্থিতিতে একটি পত্রিকায় ‘জামিন ছাড়াই বছর পার নাজমুল হুদা ও স্ত্রী’র শিরোনামে গত ৩০ মার্চ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। সেখানে দুদকের লিভ টু আপিল মঞ্জুর হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। পরে আপিল বিভাগে খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন, দুদকের লিভ টু আপিল মঞ্জুর হয়েছে।

মামলার অভিযোগ নাহজমুল হুদা বলেন, তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা তার জমাদারের মাধ্যমে ২০১৭ সালের ২০ জুলাই ডেকে নিয়ে যান । এসকে সিনহা তাকে বলেন, একজন সংসদ সদস্য তাকে নগদ দুই কোটি টাকা দিতে চেয়েছেন। যদি একটি মামলায় তিনি নাজমুল হুদার সাজা নিশ্চিত করন । আর এতে নির্বাচনে অযোগ্য হবেন নাজমুল।

এসময় তাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়, যদি দুই কোটি টাকা এবং আপিল বিভাগে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার আড়াই কোটি টাকার একটি ব্যাংক গ্যারান্টির রিলিজ আবেদনের বিপরীতে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা দেন তবে  স্ত্রীসহ তার মামলাগুলোয় মুক্তির ব্যবস্থা করে দিবেন। যদি না দেন, তবে ব্যাংক গ্যারান্টিতে উল্লেখিত হাইকোর্টের মামলার পুনঃশুনানি করবেন এবং ব্যাংক গ্যারান্টি রিলিজের পথ বন্ধ করে দেবেন। এই প্রস্তাবে তিনি সম্মত না হওয়ায় এসকে সিনহা রায় পাল্টে দেন-বলে অভিযোগ করেন নাজমুল হুদা।