• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ৭ই এপ্রিল, ২০২০ ইং | ২৪শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৩ই শাবান, ১৪৪১ হিজরী

রাত ৮:২১

সম্মিলিত চেষ্টাই পারে করোনাভাইরাস রোধ করতে


বলার অপেক্ষা রাখে না যে, করোনাভাইরাস পরিস্থিতি বিশ্বজুড়েই ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গত এক সপ্তাহে আক্রান্ত হয়েছে এক লাখের বেশি মানুষ। আর সারা বিশ্বে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে আড়াই লাখ মানুষ। করোনাভাইরাস সংক্রমণে বিশ্বের প্রায় সব দেশে জনসমাগম, বিমান চলাচল,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান  বন্ধ ঘোষনা করেছে।নাগরিকদের ঘরে আবদ্ধ রাখাসহ নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশে করোনায় আক্রান্ত তিন মারা গেছে; আক্রান্ত হয়েছে ২৭।  

 করোনাভাইরাসের বৈশিষ্ট্য হলো ভাইরাসটি মানুষের মাধ্যমে ছড়ায়। কেউ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে তাঁকে যেমন কঠোর নিয়ম মেনে চলতে হয়, তেমনি আক্রান্ত কারো সংস্পর্শে কেউ এলে তাকেও মেনে চলতে হবে নিয়ম। এর ব্যতিক্রম ঘটলে যে বিপর্যয় অনিবার্য। বিদেশে এমন ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশে করোনাভাইরাসটি এসেছে প্রবাসীদের মাধ্যমে। এদের অনেকেই করোনার লক্ষণ নিয়ে দেশে এসেছিলেন। কেউ কেউ অবাধে সমাজে মেলামেশা করেছেন। হোম কোয়ারেন্টিনের নিয়ম মেনে চলেননি। ফল দাঁড়িয়েছে এই যে তাঁদের স্বজনরাই সংক্রমিত হয়েছেন।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষায় সবার আগে ব্যক্তিকেই উদ্যোগী হতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধে টার্গেট একটাই, মানুষকে আতঙ্কিত হতে দেওয়া যাবে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সবার পরীক্ষা করার মতো অবস্থা আমাদের নেই।  তাই যাঁরা বিদেশ থেকে এসেছেন তাঁরা কোয়ারেন্টিনে থাকবেন। যদি লক্ষণ দেখা দেয় পরীক্ষা করবে।  বাংলাদেশে কোনো করোনার রোগী ছিল না। বিদেশ ফেরতদের মাধ্যমে তাদের স্বজনরা আক্রান্ত হয়েছেন। তবে আশার কথা, এখনো কমিউনিটিতে ছড়িয়ে পরেনি।এমনটা হওয়ার আগেই সব ব্যবস্থা নিতে হবে।

 সবাইকে দায়িত্ব নিয়ে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় ভূমিকা রাখতে হবে।  নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে তা মেনে চলতে হবে। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে যাওয়া চলবে না।  আমরা আশাকরি, সম্মিলিত চেষ্টায় বাংলাদেশ করোনাভাইরাস মুক্ত হবে।