• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৯শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং | ৪ঠা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২১শে রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী

বিকাল ৪:১১

শেয়ারবাজারের বড় সমস্যা দুর্বল ব্যালেন্স শিট


অর্থনীতি প্রতিবেদকআর্থিক প্রতিবেদনে কারসাজি করে দুর্বল কোম্পানি দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হচ্ছে। এতে শেয়ারবাজারে দেখা দিচ্ছে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। এ জন্য কোম্পানির দুর্বল ব্যালেন্স শিটকে বর্তমান শেয়ারবাজারের জন্য সব থেকে বড় সমস্যা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন হিসাববিদ ও পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা।

তারা বলছেন, ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্ট সম্পর্কে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীদের পর্যাপ্ত জ্ঞান নেই, যে কারণে হঠাৎ হঠাৎ শেয়ারবাজারে অস্বাভাবিক উত্থান-পতন ঘটে। বিনিয়োগকারীরা জ্ঞাননির্ভর বিনিয়োগ করলে শেয়ারবাজারের এসব সমস্যার অনেকটাই সমাধান হয়ে যাবে।

‘ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট, ২০১৫’ নিয়ে মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরামের আয়োজিত এক কর্মশালায় তারা এসব কথা বলেন।

কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান সি কিউ কে মোস্তাক আহমেদ। এ ছাড়া বক্তব্য দেন ডিএসইর চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল হাশেম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এ এম মাজেদুর রহমান, শেয়ারহোল্ডার পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন, সিএমজেএফ’র সভাপতি হাসান ইমাম রুবেল ও সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এফআরসি’র নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আহমেদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এফআরসির চেয়ারম্যান সি কিউ কে মোস্তাক আহমেদ বলেন, ভালো ব্যালেন্স শিটের জন্য যারা অডিট করেন তাদের দায়বদ্ধতা আছে। তবে যারা শেয়ারবাজারে লেনদেন করেন তাদের সতর্ক হতে হবে, যারা লেনদেন করেন তারা সচেতন হলে কারসাজি হয়তো থাকবে না।

তিনি বলেন, শেয়ারবাজারের বিনিয়োগ করে একপক্ষ লাভবান হলে অন্যপক্ষ লোকসান করবে, এটাই নিয়ম। লাভ করতে হলে রিস্ক (ঝুঁকি) নিতে হবে। তবে সেই রিস্ক হতে হবে জ্ঞানভিত্তিক। জ্ঞানভিত্তিক রিস্ক নিলে নিজের লাভ, পুঁজিবাজারের লাভ এবং দেশের সরকারের লাভ।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন বলেন, এ মুহূর্তে বাজারের সব থেকে বড় সমস্যা সৎ ও শক্তিশালী ব্যালেন্স শিট। এ কারণেই দুর্বল কোম্পানি তালিকাভুক্ত হচ্ছে। ব্যালেন্স শিট ঠিক থাকলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

লাভ-লোকসানের বিষয়ে কোম্পানির ব্যালেন্স শিটে ছন্দ থাকা উচিত এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, আমরা দেখতে পাই, এক বছর কোম্পানির বড় লাভ হচ্ছে। পরের বছরই লোকসান। কোনো কোম্পানির ব্যালেন্স শিট এমন হলে তা স্বাভাবিক না। ব্যালেন্স শিটে একটা ছন্দ থাকে।