• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৯শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং | ৪ঠা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২১শে রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী

বিকাল ৪:১২

শিশুর তোতলানো


তোতলামিতে ভোগা মানুষের সংখ্যা খুব একটা কম নয়। তোতলামির ক্ষেত্রে অনিচ্ছাকৃত তিনটি ব্যাপার থাকে: ১. শব্দ বা কথা পুনরাবৃত্তি করা (যেমন: আগামী আগামী আগামীকাল যাব)। ২. শব্দের প্রথম অক্ষর বা উচ্চারণ লম্বা করে বলা (যেমন: পাপাপাপাপানি খাব)। ৩. বাক্যের মধ্যে বা শব্দের মধ্যে হঠাৎ করে থেমে যাওয়া বা আটকে যাওয়া, মুখ নাড়ানোর চেষ্টা সত্ত্বেও কোনো আওয়াজ বের হয় না। ঠোঁট-মুখ বেঁকে যায়, মুখ থেকে হালকা থুতুও বের হয়, কিন্তু কথাটা পুরো হয় না।

তোতলামির কারণ
মূলত পরিবেশ ও জিনগত কারণে তোতলামির সমস্যা হয়ে থাকে। আমরা যখন কথা বলি, তখন অনেক স্নায়ু দ্রুততার সঙ্গে কাজ করে। এই কর্মযজ্ঞে ঝামেলা হলে কথার জড়তা পেয়ে বসে। একধরনের তোতলামি রয়েছে, যা শিশু অনুকরণ করে শেখে। যেসব মা-বাবা শিশুর কথার জড়তাকে তীব্রভাবে সমালোচনা করেন, সেসব শিশুর মধ্যে সমস্যা বেশি দেখা যায়। মানসিক উদ্বেগ, ইচ্ছার অবদমন, প্রতিকূল পারিবারিক পরিবেশ প্রভৃতিকে শিশুর তোতলামির উল্লেখযোগ্য কারণ বলে ধরা হয়। যেসব শিশু নিজেকে নিয়ে বেশি সচেতন, ভয় পেলে বা রেগে গেলে তাদের কথার অস্পষ্টতা বা তোতলামি বেড়ে যায়।