• ঢাকা
  • সোমবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং | ২৯শে আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৪ই সফর, ১৪৪১ হিজরী

সকাল ১১:৪০

লোকমানের স্বীকারক্তীতে সাঈদের নেতৃত্বেই চলত ক্যাসিনো


নতুন কাগজ ডেস্ক: কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা এ কে এম মমিনুল হক সাঈদের নেতৃত্বেই মোহামেডান ক্লাবে চলত ক্যাসিনো ব্যবসা। ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হিসেবে লোকমান সহায়তা করতেন তাকে, এমনকি সময়মতো পৌঁছে দেয়া হতো ক্যাসিনো থেকে অর্জিত টাকাও। গতকাল র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এ তথ্য জানিয়েছেন লোকমান। র‍্যাব বলছে, ক্যাসিনোয় জড়িতরা যেই হোক না কেন তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
ক্যাসিনো ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং অবৈধভাবে বিদেশি মদ রাখার অভিযোগে বুধবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে মনিপুরী পাড়ার নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় মোহামেডান ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও বিসিবির পরিচালক লোকমান হোসেন ভূঁইয়াকে।
এরপর রাতভর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে র‍্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ক্যাসিনো ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, আরামবাগ ক্রীড়া সংঘের সভাপতি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৯ নম্বর ওয়ার্ড কমিশনার এ কে এম মমিনুল হক সাঈদের সহায়তায় গড়ে তোলা হয় ক্যাসিনো।
র‍্যাব-২ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, লোকমান কাউন্সিলর সাঈদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। তার সঙ্গে ক্যাসিনো ব্যবসায় তার যে লেনদেন সেটাও প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন। ক্যাসিনোর ভাড়া বাবদ মাসে ১৫ লাখ টাকা পেতেন লোকমান।
তিনি বলেন, প্রতিদিন ৫০ হাজার থেকে শুরু করে মাসে ১৫ লাখ টাকা করে পেতেন তারা।
এ মুহূর্তে বিদেশে অবস্থান করছেন কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা এ কে এম মমিনুল হক সাঈদ।

ক্যাসিনো ব্যবসা করে বিসিবির পরিচালক ও মোহামেডান ক্লাবের ডিরেক্টর ইনচার্জ লোকমান হোসেন ভূঁইয়া ৪১ কোটি টাকা আয় করেছেন বলে র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন। এ টাকা অস্ট্রেলিয়ার দু’টি ব্যাংকে গচ্ছিত রেখেছেন বলেও জানিয়েছেন লোকমান হোসেন।

নতুন কাগজ/আরকে