• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং | ৫ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২০শে মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী

দুপুর ১:৫৮

লিথুয়ানিয়াকে উড়িয়ে দিয়ে পর্তুগালের দাপুটে জয়


স্পোর্টস ডেস্ক: জ্বলে উঠলেন তারকা ফরোয়ার্ড ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। একাই উপহার দিলেন চার গোল। শেষ দিকে জালের দেখা পেলেন উইলিয়াম কারভালহো। লিথুয়ানিয়াকে উড়িয়ে দিয়ে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইয়ে জয়ের ধারা ধরে রাখল পর্তুগাল।
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতেলিথুয়ানিয়ার মাঠে ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচটি ৫-১ গোলে জিতে পর্তুগাল। চার ম্যাচে দুই ড্রয়ের পর টানা দুই জয়ে ৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে ইউরোর শিরোপাধারীরা। পাঁচ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ইউক্রেন।
সপ্তম মিনিটে স্পট কিকে পর্তুগালকে এগিয়ে নেন রোনালদো। ডি-বক্সে ডিফেন্ডার পালিওনিসের হাতে বল লাগলে পেনাল্টির বাঁশি বাজিয়েছিলেন রেফারি।
একটু পর রোনালদোর শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়নি। ২৮তম মিনিটে সমতায় ফেরে গ্রুপের তলানির দল লিথুয়ানিয়া। কর্নারে ভিতোতাসের হেড পোস্টের ভেতরের কানায় লেগে জাল খুঁজে নেয়।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে একের পর এক আক্রমণ করেও গোলের দেখা পায়নি পর্তুগাল। রোনালদো ও ব্রুনো ফের্নান্দেসের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার পর উইলিয়াম কারভালহোর হেডও খুঁজে পায়নি ঠিকানা।
৫৭তম মিনিটে বের্নার্দো সিলভা গোলরক্ষক বরাবর শট নেওয়ার পাঁচ মিনিট পর ফের এগিয়ে যায় পর্তুগাল। রোনালদোর শট আটকাতে ঝাঁপিয়ে পড়া গোলরক্ষকের গ্লাভসে লেগে বল জালে জড়ায়।
বের্নার্দোর ক্রসে গোলমুখ থেকে পা ছুঁইয়ে ৬৫তম মিনিটে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন রোনালদো। জাতীয় দলের হয়ে ইউভেন্তুস তারকার এটি অষ্টম হ্যাটট্রিক। আর ইউরোর বাছাই ও মূল পর্ব মিলিয়ে রেকর্ড ৩৪ গোল হলো পাঁচবারের বর্ষসেরা ফুটবলারের।
৭৬তম মিনিটে ডান দিক থেকে বাড়ানো বের্নার্দোর ক্রস থেকেই কোনাকুনি শটে চতুর্থ গোলটি করেন রোনালদো।
পর্তুগালের হয়ে রোনালদোর গোল হলো ৯৩টি। জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ গোল করার তালিকায় ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডের সামনে আছেন কেবল ইরানের আলি দাই (১০৯টি)।
এরপরই রোনালদোকে তুলে গেদেসকে নামান কোচ ফের্নান্দো সান্তোস। দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে কারভালহোর শট দূরের পোস্ট দিয়ে জালে জড়ালে বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পর্তুগাল।
গ্রুপের অন্য ম্যাচে লুক্সেমবার্গের মাঠ থেকে ৩-১ গোলের জয় নিয়ে ফেরা সার্বিয়া ৭ পয়েন্ট নিয়ে আছে তৃতীয় স্থানে। ৪ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে লুক্সেমবার্গ।

নতুন কাগজ/আরকে