• ঢাকা
  • সোমবার, ২১শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং | ৬ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২১শে সফর, ১৪৪১ হিজরী

রাত ৯:৪৪

যুবকের সাথে প্রবাসীর স্ত্রী অনু’র পালানোর অভিযোগ


বরিশাল প্রতিনিধিঃ গত ১২ দিনেও কাউনিয়া থেকে নিখোঁজ প্রবাসীর স্ত্রী অনুর খোঁজ মেলেনি। অনুর বাবা, মা বলেছেন শশুরবাড়ির ননদ কুমুর আর আরেক ননদ জামাই চুন্নুর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ঘরছেড়ে পালাতে পারে অনু। অনুর মা বলেন, চুন্নু অনুর গোসল খানাতে ঢুকতে চাওয়ায় চুন্নুকে অপমানিত করেছিল অনু। এবং এতে ক্ষিপ্ত হয়ে চুন্নু ও কুমু অনুকে নির্যাতন করে এবং চুন্নু শপথ নেয় অনুকে ঘরছাড়া করার। আবার, এই কুমুর সাথে কাশীপুরের যুবক ফয়সালের অন্তরঙ্গ সম্পর্ক ছিল বলে দাবী করে অনুর পরিবার। অনুর পরিবারের ভাষ্য মতে, কুমু পুলিশকে এবং সবাইকে বলেছে যে, অনুর সাথে ফয়সালের প্রেম ছিল এবং ফয়সাল লাগাতার অনুর সংসার ভাঙ্গতে মরিয়া ছিল। এরপর অনুর নিখোঁজ হবার পর কুমু পুলিশকে জানায় ফয়সালকে সন্দেহ করছে অনুর শশুরবাড়ির পক্ষ।

এ বিষয়ে কুমুকে ফোন করলে সাংবাদিকদের কাছে কুমু বলেন ফয়সাল কাশীপুরের একজন মৃত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। ফয়সালের সাথে আমার টেলিফোন সেরেন্ডার নিয়ে পরিচয়। তবে ফয়সাল আমাকে বহুবার বলেছে যে সে অনুর প্রেমিক ছিল এবং তারজন্য অনুর নিখোঁজ হওয়ায় আমরা ফয়সালকেই সন্দেহ করি। তবে আমি কোন অত্যাচার ও নির্যাতন অনুকে করতামনা। “এছাড়াও কুমুর অধিকাংশ মন্তব্য এতই কুরুচিপূর্ণ যে সেটি লেখার অযোগ্য।
কুমু আরও বলেন ” অনু দুএকদিনেই বের হবে। আমার ভাইকে ফোন দিয়েছিল ” তবে এর কোন সত্যতা এখনও মেলেনি।

ফয়সালকে এ বিষয় জানতে চাইলে ফয়সাল ফোন রিসিভ করেই কেটে দিয়ে বন্ধ করে রাখেন। এছাড়াও ফয়সালের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নামে বিভিন্ন স্থান থেকে অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করার নির্দিষ্ট অভিযোগ করেছেন অনেকে। ফয়সালের সাথে অনুর যোগাযোগ ও উত্ত্যক্ত করার প্রমাণও রয়েছে প্রতিবেদকের কাছে।

জিডির তদন্ত কর্মকর্তা জানান তদন্ত চলছে এবং ফয়সালের বিষয়টি তিনি অনুর শশুরবাড়ি থেকে জেনেছেন

উল্লেখ্য, জিডি সূত্রে জানা গেছে, বাহাদুর খান দীর্ঘ কয়েক বছর যাবত সিঙ্গাপুরে থাকতেন। কিছুদিন আগে তিনি দেশে আসেন। তার ৬ বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। বাহাদুর খান দেশে ফিরে স্ত্রীর চলাফিরা কিছুটা সন্দেহজনক দেখে সতর্ক ছিলেন। গত ৮ আগস্ট দুপুরে বাসায় ফিরে স্ত্রীকে না দেখে পার্শ্বের বাসায় খোঁজ নেন। সময় গড়িয়ে গেলে স্ত্রী বাসায় না ফেরায় সন্দেহ হয়। এরপর দেখতে পান বাসায় থাকা নগদ আড়াই লক্ষ টাকা এবং ৮ ভরি স্বর্ণালংকার নেই। তাছাড়া বেশ কিছু কাপড় চোপর নিয়ে গেছে সে।স্ত্রী ইসরাত জাহান অনুর বাবার নাম হারুন অর রশিদ এবং মায়ের নাম সাহিদা বেগম। ইছাকাঠী সড়কে কাশিপুর বাজার সংলগ্ন তাদের বাড়িতে খোঁজ নিলে তারাও কোন সদুত্তর দিতে পারেননি বলে জানান স্বামী বাহাদুর খান। এ সংক্রান্ত কাউনিয়া থানায় জিডি নং ৩৩৭ ”