• ঢাকা
  • শুক্রবার, ৩রা জুলাই, ২০২০ ইং | ১৯শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১১ই জিলক্বদ, ১৪৪১ হিজরী

সন্ধ্যা ৭:২২

বড়দিনেও রণক্ষেত্র হংকং


নতুন কাগজ ডেস্ক: বড়দিনেও রণক্ষেত্র হংকং। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের তুমুল সংঘর্ষে আহত হন বেশ কয়েকজন। আটক করা হয় বহু আন্দোলনকারীকে। আগামীতে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন তারা। তবে গণতন্ত্রপন্থীদের কারণে হংকংয়ের অর্থনীতি এখন ধ্বংসের পথে বলে অভিযোগ করেছেন ক্যারি লামের।

অপরাধীদের চীনের কাছে প্রত্যর্পণের বিষয়ে প্রস্তাবিত একটি বিলকে কেন্দ্র করে এই বিক্ষোভ ও আন্দোলন শুরু হয়। জুন মাসে শুরু হওয়া সে বিক্ষোভ ও আন্দোলন জুলাই মাসে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও সহিংসতায় মোড় নেয়। বিক্ষোভ-আন্দোলন এখনও চলছে।

হংকংয়ে বিক্ষোভ প্রথমদিকে রাস্তায় সীমাবদ্ধ থাকলেও ক্রমেই তা সব স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে শুরু করে অফিস-আদালত এবং স্থানীয় পার্লামেন্টেও বিক্ষোভের ঢেউ লাগে। ৯ ডিসেম্বর বিক্ষোভের ছয় মাস পূর্তিতে হংকংয়ের রাজপথ জনসমুদ্রে পরিণত হয়। আট লাখ লোকের সমাবেশ ঘটে বলে আয়োজকরা জানান।

টিয়ার গ্যাস ও পিপার স্প্রে করে পুলিশ। বিক্ষোভকারীরাও পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে।

সাধারণ মানুষ ও পর্যটকদের বড়দিন উদযাপন পণ্ড হওয়ায় বিক্ষোভকারীদের কঠোর সমালোচনা করেছেন প্রধান নির্বাহী ক্যারি লাম। তিনি বলেন, স্বার্থপরের মতোই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে কিছু মানুষ। তাদের কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাদের কারণেই হংকংয়ের অর্থনীতি ধসে পড়ছে বলেও অভিযোগ লামের।

জুন থেকে আন্দোলন শুরু। চীনের কাছে অপরাধী প্রত্যর্পণ বিল বাতিলের দাবি নিয়ে আন্দোলন শুরু হয়। যা পরে গণতন্ত্রের আন্দোলনে রূপ নেয়। শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন চায় বিক্ষোভকারীরা। পুলিশ বহু বিক্ষোভকারীকে আটকও করে।


এই পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র। ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনেও হংকং নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো।

বছরের জুনে হংকংয়ের বিক্ষোভের শুরুর দিকে এ প্রস্তাবটি যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে পেশ করা হয় এবং গত মাসে বিশাল ব্যবধানে কংগ্রেস এটিকে অনুমোদন দেয়।

ন/ক/প