• ঢাকা
  • বুধবার, ২০শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং | ৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২১শে রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী

রাত ২:৪৩

বুয়েটের অচলাবস্থার অবসান চাই


মো; সাহেদ : আবরার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এক সপ্তাহ ধরে বুয়েটে অচলাবস্থা বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীরা ১০ দফা দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠকে উপাচার্য জানিয়েছেন, আবরার ফাহাদ হত্যায় এজাহারভুক্ত ১৯ আসামিকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। স্থায়ী বহিষ্কারের ব্যাপারেও প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বুয়েটে সাংগঠনিক ছাত্র-শিক্ষক রাজনীতি থাকবে না। আবরারের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে এবং মামলার খরচ বুয়েট কর্তৃপক্ষ বহন করবে। বিচারকাজ দ্রুত শেষ করতে সরকারকে চিঠি দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত আপডেটও জানানো হবে। সরকার আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতে আশ্বস্ত করেছে। এর পরও নতুন করে পাঁচ দফা দাবি দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। নতুন দাবিগুলোর মধ্যে কয়েকটির বাস্তবায়ন সম্ভব। আবার এমন কিছু দাবি আছে, যেগুলো তাত্ক্ষণিক উপাচার্য বা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষে পূরণ করা সম্ভব নয়। এসব দাবি পূরণে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা করা প্রয়োজন। নতুন পাঁচ শর্তের মধ্যে ফাহাদ হত্যায় জড়িতদের সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রশাসন সক্রিয় হলে অবৈধভাবে সিট দখলকারীদের উচ্ছেদ করা সম্ভব। আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার খরচ বুয়েট কর্তৃপক্ষ বহন করতে সম্মত হয়েছে।

পরিস্থিতি বিবেচনায় সোমবারের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠান নির্বিঘ্ন করতে ১৩ ও ১৪ অক্টোবর কর্মসূচি না রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। তাঁদের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই। আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের বিচারে সরকার ও সরকারপ্রধানের সদিচ্ছার কথা সবার কাছেই স্পষ্ট হয়েছে। দ্রুত বিচারের আশ্বাস মিলেছে। অভিযুক্তদের আদালতে সোপর্দ করার পর রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। অনেকেই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। কাজেই আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে কারো মনে সন্দেহ থাকার কোনো কারণ নেই। আমরা বুয়েটে অচলাবস্থার অবসান চাই।শান্তির পরিবেশ চাই।