• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৪ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং | ২৯শে কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৫ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী

রাত ৪:২৬

বিক্ষোভে রণক্ষেত্র ইকুয়েডরের রাজপথ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভে রণক্ষেত্র ইকুয়েডরের রাজধানী কুইটোর রাজপথ। কারফিউ উপেক্ষা করে হাজারো জনগণ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ করেন। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হন অনেকে। আটকও করা হয় কয়েকজনকে। এমন পরিস্থিতিতে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় দেশটির সরকার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি হলেও, জনসম্মুখে আলোচনায় বসার দাবি জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীদের। শনিবার রাজধানী কুইটোর রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে প্রতিবাদ করেন বিক্ষোভকারীরা। সরকারি স্থাপনায় চালানো হয় ভাঙচুর। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমাও নিক্ষেপ করেন অনেকে, জবাবে পুলিশও পাল্টা হামলা করলে পুরো এলাকা পরিণত হয় রণক্ষেত্রে।
টানা ১০ দিন ধরে চলা আন্দোলন থামাতে কারফিউ জারি করেছেন প্রেসিডেন্ট লেনিন মোরেনো। একইসঙ্গে তিনি আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসারও আগ্রহ প্রকাশ করেন। তবে সরকারের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার নয়, জনসম্মুখে আলোচনার দাবি বিক্ষোভকারী নেতাদের। তারা এও বলছেন, সেই আলোচনা টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার হতে হবে।
প্রেসিডেন্ট লেনিন মোরেনো তেলের মূল্যে সরকারি ভর্তুকি বাতিলের ঘোষণা দিলে ধর্মঘটের ডাক দেয় ট্রান্সপোর্ট ইউনিয়ন। এতে একে একে যোগ দেয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। পরে সাময়িকভাবে সরকারি কার্যক্রম রাজধানী কুইটোর পরিবর্তে বন্দরনগরী গুয়াকুইলে নেয়া হয়। ১৯৭০-এর দশক থেকে দিয়ে আসা ভর্তুকির কারণে সরকারের বার্ষিক ব্যয় ছিল প্রায় ১০৩ কোটি মার্কিন ডলার।

নতুন কাগজ/আরকে