• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৫ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং | ৩০শে কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৭ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী

বিকাল ৫:০৬

বাংলাদেশের জিততে লাগবে ১৪৯ রান


অনলাইন ডেস্ক : দারুণ একটি দিন কাটলো বাংলাদেশের বোলারদের। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মোটামুটি নিয়ন্ত্রণ রেখেই বল করলেন তারা। ফলে ভারতের মতো শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপের দলও বড় পুঁজি গড়তে পারলো না সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৪৮ রান তুলেছে ভারত। অর্থাৎ জিততে হলে ১৪৯ করতে হবে টাইগারদের।

দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ দলের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

প্রথম পাঁচ ডেলিভারিতে ১০ রান দিলেও শেষ বলে ভয়ংকর হয়ে ওঠতে থাকা রোহিতকে ঠিকই আটকে দেন শফিউল।দুর্দান্ত এক ডেলিভারি দেন টাইগার এ পেসার, রোহিত বুঝতেই পারেননি। প্যাডে বল আঘাত হানে। আবেদনে আঙুল তুলে দিতে দেরি করেননি আম্পায়ার। রোহিত অবশ্য রিভিউ নিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। স্ট্যাম্প পেয়ে যায় বল। ফলে হতাশা নিয়েই সাজঘরে ফিরতে হয় ভারতীয় অধিনায়ককে (৫ বলে ৯)।

দ্বিতীয় উইকেটে সেই বিপদ কিছুটা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেন শিখর ধাওয়ান আর লোকেশ রাহুল। তবে তাদের জুটিটাকে ২৬ রানের বেশি এগুতে দেননি বাংলাদেশ দলের তরুণ লেগস্পিনার বিপ্লব। বিপ্লব বাঁক খাওয়া ডেলিভারি বুঝতে না পেরে শর্ট কাভারে মাহমুদউল্লাহর সহজ ক্যাচ হয়েছেন লোকেশ রাহুল (১৭ বলে ১৫)।

ভারত ৩৬ রানে ২ উইকেট হারানোর পর উইকেটে এসে চালিয়ে খেলছিলেন শ্রেয়াস আয়ার, দ্রুত রানও তুলে দিচ্ছিলেন। অবশেষে এই ব্যাটসম্যানকেও সাজঘরের পথ দেখান বিপ্লব। ১৩ বলে ২২ রান করে আয়ার বাউন্ডারিতে ক্যাচ হন নাইম শেখের। বাংলাদেশি বোলারদের এমন নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের মুখে বল নষ্ট করার চাপের মুখেই ৪২ বলে ৪১ রান করে রানআউটের কবলে পড়েন ধাওয়ান।

এরপর উইকেটে আসেন শিভাম দুবে। অভিষেক ম্যাচে ব্যাটিংয়ে নেমে বেশ দেখেশুনে শুরু করেছিলেন এই অলরাউন্ডার। প্রথম তিন বল মোকাবেলায় করেন মাত্র ১ রান। চতুর্থ বলটিতেই পড়েন বিপদে। এমনই বিপদ, নিজের চোখকেই যেন বিশ্বাস হচ্ছিল না দুবের।

ইনিংসের ১৬তম ওভারে বল নিজের বলে আফিফ হোসেন ধ্রুব এমন অবিশ্বাস্য ক্যাচও তালুবন্দী করে যে দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামের হাজার হাজার দর্শক বোকা বনে যান। আফিফের এই ক্যাচে ১০২ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসে ভারত। বড় রানের আশা শেষ হয়ে যায় তখনই। ১৯তম ওভারে রিশাভ পান্তকেও তুলে নেন শফিউল। ২৬ বলে ২৭ রান করেন মারকুটে এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান।

তবে সপ্তম উইকেটে ক্রুনাল পান্ডিয়া আর ওয়াশিংটন সুন্দর ১০ বলের জুটিতে তুলে দেন ২৮ রান। সুন্দর ৫ বলে ১৪ আর ক্রুনাল ৮ বলে করেন অপরাজিত ১৫ রান।

বাংলাদেশের পক্ষে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন আমিনুল ইসলাম বিপ্লব আর শফিউল ইসলাম।

ন/ক/র