• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৯শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং | ৪ঠা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২০শে রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী

রাত ৪:৩৯

বরগুনায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন


বরগুনা প্রতিনিধি: বরগুনায় স্ত্রী হত্যার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছে বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। বুধবার দুপুরে ওই ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষনা করেন।

দন্ডপ্রাপ্ত আসামী হলো বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার তারিকাটা গ্রামের মুজাফফর মাতুব্বরের ছেলে মো. আমিনুর মাতুব্বর। অপর আসামী সখিনা বেগমকে বেকসুর খালাস দিয়েছে। রায় ঘোষনার সময় দন্ডপ্রাপ্ত আসামী ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, মামলার বাদী হোসনে আরা বেগম ২০০৬ সালের ১৯ মার্চ আলতলী থানায় অভিযোগ দাখিল করেন। তার মেয়ে শামসুন্নাহার মুক্তাকে এই ঘটনার দুই মাস আগে দন্ডপ্রাপ্ত আসামী আমিনুরের সঙ্গে বিয়ে দেয়। দন্ডপ্রাপ্ত আসামী আমিনুর তার মেয়ের নিকট ২০ হাজার টাকা যৌতুক দাবী করে জ্বালা যন্ত্রনা দেয়। বাদীর মেয়ে মুক্তা যৌতুক দিতে অস্বীকার করায় ২০০৬ সালের ১৮ মার্চ রাত ১১ টায় প্রথমে মুক্তাকে পিটায়। পরে দন্ডপ্রাপ্ত আসামী মুক্তাকে গলা টিপে হত্যা করে।

অন্যান্য আসামীরা মুক্তার মরদেহ গোপন করার জন্য আসামীর বাড়ীর দক্ষিন পাশে খালের মধ্যে ফেলে আসামীরা পালিয়ে যাবার সময় স্থানীয় রফেজ ও আবদুল হাই চৌকিদার দেখে দন্ডপ্রাপ্ত আসামী আমিনুরকে আটক করে আমতলী থানায় সোর্পদ করে। বাদী পরের দিন ৫ জনকে আসামী করে আমতলী থানায় মামলা করেন।

আমতলী থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে ২০০৬ সালের ৯ এপ্রিল আমিনুর ও তার মা সখিনা বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। বাদী দেশ জনপদ সাংবাদিককে জানান, সকল আসামীদের ফাসিঁ দিলে আমরা খুশি হতাম।

আদালতের বারান্দায় আসামী আমিনুর বলেন, বাদী পক্ষ আমার সঙ্গে আপোস করেছে। তারপরও আমাকে সাজা দিয়েছে। আমি উচ্চ আদালতে আপীল করবো।