• ঢাকা
  • সোমবার, ২১শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং | ৬ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২১শে সফর, ১৪৪১ হিজরী

সন্ধ্যা ৬:৩৬

‘বন্দুকযুদ্ধে’ লোকমান হত্যার আসামি নিহত


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মঙ্গলবার ভোরে বাকলিয়া থানার কল্পলোক আবাসিক এলাকায় গোলাগুলির ওই ঘটনা ঘটে বলে পুলিশের ভাষ্য।

নিহত মো. সাইফুল এলাকায় যুবলীগ নেতা হিসেবে পরিচয় দিতেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল পুলিশের কাছে।

তিন দিন আগে বাকলিয়া খালপাড় এলাকায় মো. লোকমান হোসেনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় পরিবারের করা মামলার প্রধান আসামি ছিলেন সাইফুল।

বাকলিয়া থানার ওসি প্রণব চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, সাইফুল এবং ওই মামলার এজাহারভুক্ত আরেক আসামি জিয়া উদ্দিন বাবলুকে সোমবার ফটিকছড়ি জাফর নগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

“তাদের থানায় এনে জিজ্ঞাবাদ করা হলে সাইফুল ঘটনার দিন গুলি ছোড়ার কথা এবং তার গুলিতেই লোকমানের নিহত হওয়ার কথা স্বীকার করে। এক পর্যায়ে সে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত পিস্তলটি কোথায় আছে তা জানায়।” 

এরপর বাকলিয়া থানা পুলিশের একটি দল ওই অস্ত্র উদ্ধারে সাইফুলকে নিয়ে কল্পলোক আবাসিক এলাকায় অভিযানে যায় বলে  ওসি প্রণব চৌধুরীর ভাষ্য।

তিনি বলেন, “কল্পলোক আবাসিক এলাকার ৫ নম্বর ব্রিজের কাছে খালপাড়ে গেলে সাইফুলকে ছাড়িয়ে নিতে তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করে। পুলিশও তখন পাল্টা গুলি চালায়। কিছুক্ষণ গোলাগুলির পর সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থলে সাইফুলকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।”

গুলিবিদ্ধ সাইফুলকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান ওসি।

গত শনিবার গভীর রাতে ওই খালপাড় এলাকাতেই গুলিতে নিহত হন ৩৫ বছর বয়সী লোকমান, যিনি নগরীর বাদশা মিয়া রোডের পশুশালা এলাকায় একটি কুলিং কর্নার চালাতেন।

ওই ঘটনার পর পুলিশ জানিয়েছিল, স্কুলপড়ুয়া এক কিশোরীর সঙ্গে ‘প্রেম করা নিয়ে’ দুই কিশোরের দ্বন্দ্বে এলাকার ‘বড়রা’ জড়িয়ে পড়লে খুনোখুনির ঘটনা ঘটে।

ওই হত্যাকাণ্ডের পর লোকমানের মা রোকেয়া বেগম বাকলিয়া থানায় সাইফুলকে প্রধান আসামি করে আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) শাহ মো. আব্দুর রউফ সেদিন জানান, যে ভবনের সামনে ওই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে সেটি সাইফুলের বাড়ি। চারতলা ওই ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটে বলে তারা জানতে পেরেছেন।