• ঢাকা
  • সোমবার, ২১শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং | ৬ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২১শে সফর, ১৪৪১ হিজরী

সন্ধ্যা ৭:১৩

ফেনীর সেই মাদ্রাসা পরিদর্শনে বোর্ড চেয়ারম্যান


ফেনী প্রতিনিধি |
কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের নিপীড়নের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর একেএম সাইফ উল্যাহ।

রোববার দুপুরে ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্র পরিদর্শনে এসে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, “সারা দেশের মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটিতে যে নৈরাজ্য চলছে তা দূর করার এখনই মোক্ষম সময়। মেধাবী ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে সেটি আরও সুস্পষ্ট হলো। ভবিষ্যতে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটিতে কোনো অশিক্ষিত অযোগ্য লোকের ঠাঁই হবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

একেএম সাইফ উল্যাহ বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে সারা দেশে ৫ সদস্য বিশিষ্ট যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি গঠনের কাজ শুরু করেছি। সিরাজ উদ দৌলার মতো এ চরিত্রের শিক্ষকের ব্যাপারেও আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “নুসরাতের উপর বর্বরতার ঘটনায় অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা ও ইংরেজি শিক্ষক আবছার উদ্দিনের এমপিও স্থগিত করা হয়েছে।”

এসময় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কাজী সলিমুল্লাহ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নূরুল আমিন, পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব নূরুল আফছার ফারুকী ও মাদ্রাসা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা মো. হোসাইন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়নের দায়ে ওই মাদ্রাসা অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে আটক করে পুলিশ। পরে ৬ এপ্রিল ওই মাদ্রাসা কেন্দ্রের সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগীরা তার শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। টানা ৫ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে মারা যান নুসরাত জাহান রাফি।

এ ঘটনায় তার বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বাদী হয়ে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারভুক্ত ৮ আসামিসহ এখন পর্যন্ত ২১জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও পিবিআই।