• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং | ৫ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২০শে মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী

দুপুর ১:২৭

প্রণোদনা প্যাকেজের মেয়াদ বাড়ানোর দাবি বিএমবিএর


নিজস্ব প্রতিবেদক : ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) প্রণোদনা প্যাকেজের মেয়াদ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ)।

আইসিসিতে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে বিএমবিএ প্রতিনিধিরা এ দাবি জানান। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের নির্দেশে আইসিবি এই মতবিনিময় সভা আয়োজন করে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

আইসিবির হলরুমে অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রণোদনা প্যাকেজের মেয়াদ বাড়ানোর দাবি জানানোর পাশাপাশি বিএমবিএ প্রতিনিধিরা ইউনিট ফান্ডে বিনিয়োগের ব্যবস্থা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় তৈরিসহ শেয়ারবাজারের উন্নয়নে জন্য বিভিন্ন দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন।

মতবিনিময় সভায় আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন- আইসিবির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মোসাদ্দেক- উল-আলম এবং বিএমবিএ সভাপতি মো. নাছির উদ্দিন চৌধুরী। এছাড়াও আইসিবির এবং মার্চেন্ট ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভার পরামর্শগুলো অর্থমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হবে।

২০১০ সালে ধসের প্রেক্ষিতে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় ২০১২ সালের ৫ মার্চ প্রণোদনা স্কিমের আওতায় ৯০০ কোটি টাকার ফান্ড গঠন করা হয়, যা তিন কিস্তিতে ৩০০ কোটি টাকা করে আইসিবির মাধ্যমে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবরের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও আইসিবির সমন্বয়ে গঠিত ‘তদারকি কমিটি’র তত্ত্বাবধানে এই ফান্ড বিতরণ করা হয়। যার মেয়াদ ছিল ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। পরবর্তীতে কয়েক দফা মেয়াদ বাড়িয়ে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়।

তবে শেয়ারবাজারের তারল্য সংকট কাটাতে চলতি বছরের মার্চে ২০১০ সালে ধসের ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীর সহায়তায় ৯০০ কোটি টাকা পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের ৮৫৬ কোটি টাকা চায় আইসিবি। এরই ধারাবহিকতায় গত ২ মে অর্থ মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে সম্মতি জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি দেয়।

ওই চিঠিতে বলা হয়, চলমান শেয়ারবাজারের লেনদেনে নিম্নগতির ধারা প্রতিরোধে সুদ ও আসল হিসেবে আদায় করা ৮৫৬ কোটি টাকা আবর্তনশীল ভিত্তিতে পুনঃব্যবহার ও তিনটি বিষয়ের নির্দেশক্রমে অর্থ বিভাগের সম্মতি দেয়া হলো।

ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীর জন্য পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের মেয়াদ চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এই তহবিলের মেয়াদ আরও তিন বছর বাড়ানো হয়। অর্থাৎ ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর মেয়াদ শেষ হবে।