• ঢাকা
  • সোমবার, ২১শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং | ৬ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২১শে সফর, ১৪৪১ হিজরী

সকাল ১০:৩৯

প্রকাশ্যে চুমু খেলে সৌদিতে জরিমানা


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জনসম্মুখে অশালীন কোনো কাজকর্ম করলে জরিমানা গুণতে হবে সৌদিতে।
শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এক ঘোষণায় মধ্যপ্রাচ্যের এই কট্টরপন্থি দেশটি জানিয়েছে, কোনো ব্যক্তি জনসম্মুখে অশালীন পোশাক পরলে, প্রকাশ্যে কাউকে চুমু দিলে বা এ ধরনের কোনো অশালীন কাজকর্ম করলে তার ওপর জরিমানা করা হবে।
পর্যটকদের জন্য দুয়ার খুলে দেয়ার একদিন পরেই এমন ঘোষণা দিল সৌদি। এর আগে সৌদির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বিদেশি পর্যটকরা এখন থেকে সৌদিতে ঘুরে বেড়াতে পারবেন। কারণ প্রথমবারের মতো দেশটি পর্যটন ভিসা চালু করছে।
তবে দেশটিতে পর্যটকদের জন্য ভিসা চালু হলেও কিছু বিধি-নিষেধও মেনে চলতে হবে। বিশেষ করে নারীদের পোশাক শালীন হতে হবে। তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে অর্থনীতিতে বৈচিত্র্য আনতে দেশটি এবার পর্যটনের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছে। এরই অংশ হিসেবে পর্যটন ভিসা চালুর ঘোষণা দিয়েছে সৌদি।
বিভিন্ন দেশ থেকে যেসব নারী পর্যটকরা সৌদিতে ঘুরতে আসবেন তাদের আবায়া বা বোরকা পরতে হবে না। তবে তারা যে পোশাকই পরবেন তা শালীন হতে হবে বলে এক বিবৃতিতে পর্যটন খাতের প্রধান আহমেদ আল খতিব জানিয়েছেন।
১৯টি অপরাধের জন্য জরিমানা ঘোষণা করা হলেও জরিমানার বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য জানানো হয়নি। এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, নারী এবং পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই এই নতুন বিধিনিষেধ জারি থাকবে। তাদের পোশাকের ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। কোনভাবেই অশালীন পোশাক পরা যাবে না বা জনসম্মুখে নারী-পুরুষের ঘনিষ্ট কোনো আচরণ প্রদর্শন করা যাবে না। তবে নারীরা যে কোনো শালীন পোশাক পরার স্বাধীনতা পাচ্ছেন। তাদের এমন পোশাক পরতে হবে যেন কাঁধ থেকে পা পর্যন্ত ঢাকা থাকে।

নতুন কাগজ/আরকে

ধারণা করা হচ্ছে যে, এই বিধিনিষেধের মাধ্যমে পর্যটকদের সচেতন করা হচ্ছে। যেন তারা সেদেশে ভ্রমণের সময় এসব বিষয়ে সচেতন থাকেন। শুক্রবার সৌদির তরফ থেকে এক ঘোষণায় জানানো হয় যে, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া এবং ইউরোপীয় বিভিন্ন দেশসহ ৪৯টি দেশের পর্যটক পর্যটন ভিসার আওতায় সৌদিতে সফর করতে পারবেন। এতদিন পর্যন্ত শুধুমাত্র বিভিন্ন দেশের শ্রমিক, ব্যবসায়ী এবং হজ বা ওমরাহ করতে সৌদিতে আসতে পারতেন বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা।

বিগত বছরগুলোতে পর্যটনখাতে সৌদি এতটা গুরুত্ব দেয়নি। তবে ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে ভিশন ২০৩০-এর আওতায় এখন প্রতি বছর প্রায় এক কোটি পর্যটককে নিজেদের দেশে আনার পরিকল্পনা রয়েছে সৌদির।