• ঢাকা
  • রবিবার, ১৫ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং | ৩০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৬ই রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরী

রাত ৪:০৯

পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নিন


ভারতের রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা পর বাংলাদেশে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ১০০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। দাম আরো বাড়তে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে । এই আশঙ্কায় বেশি করে পেঁয়াজ কিনছেন অনেকে। যদিও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়  পেঁয়াজের মজুদ ‘সন্তোষজনক বলে জানিয়েছে । কেউ বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এদিকে  পেঁয়াজের অতিরিক্ত দাম নেওয়ার ও মজুদের অপরাধে নোয়াখালীতে দুই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ভারত সরকার রপ্তানি নিরুৎসাহ করতে গত ১৩ সেপ্টেম্বর প্রতি টন পেঁয়াজের ন্যূনতম রপ্তানি মূল্য ৮৫০ ডলারে বেঁধে দেয়। ফলে বাংলাদেশে পেঁয়াজের দাম বেড়ে হয় ২০ থেকে ২৫ টাকা।  যদিও গণমাধ্যমে খবর অনুযায়ী বাজারে পেঁয়াজের কোনো ঘাটতি নেই। ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের ঘোষণার পরও হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ১৫টি ট্রাকে পেঁয়াজ দেশে এনেছেন ব্যবসায়ীরা, যাতে ছিল ২৬৮ টন। এর আগে ১৯টি ট্রাকে ৪৩৭ টন ভারতীয় পেঁয়াজ দেশে ঢোকে । এসব পেঁয়াজ ট্রাকে করে সরাসরি দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছেছে। চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারে দুই চালানে এসেছে মিয়ানমারের ১৭৪ টন পেঁয়াজ। একই সময়ে খালাস হয়েছে মিসর থেকে আসা ১৪৫ টন। পেঁয়াজের বাজারের ‘অস্থিরতা’ঠেকাতে ৪৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করছে টিসিবি। ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ৩৫টিসহ সারা দেশে ৭৫টি ট্রাকে পেঁয়াজ বিক্রি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। গণমাধ্যমে জানা যায় গত সোমবার এক দিনেই টেকনাফ স্থলবন্দরে মিয়ানমারের পেঁয়াজ ঢুকেছে রেকর্ড পরিমাণ ৫৩৬ টন। পাইকারি ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, হিলি বন্দরের  আমদানিকারকরা গুদামে পেঁয়াজ মজুদ করে রেখে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়াছেন-এমনি অভিযোগ পাইকারী ব্যবসায়ীদের।তারা বলছে, গুদামে পেঁয়াজ মজুদ থাকার পরও বিক্রি করছেন না তারা।

প্রকাশিত খবর অনুযায়ী একধরনের কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে। বাজার অস্থির করে জনমনে অসন্তোষ সৃষ্টি করা অসাধু ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্য। তাই শুধু হুঁশিয়ারি না দিয়ে বাজারে অভিযান জোরাল করা দরকার ।