• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২০ ইং | ২৬শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৫ই শাবান, ১৪৪১ হিজরী

সকাল ৬:২৬

পদ্মা সেতুতে ২৬ তম স্প্যানে দৃশ্যমান ৩৯০০ মিটার


শেখ মোহাম্মদ রতন, মুন্সীগঞ্জ: পদ্মা সেতুতে বসানো হয়েছে ২৬ তম স্প্যান। শরীয়রতপুরের
জাজিরা প্রান্তে পদ্মা সেতুতে ২৬তম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হলো মুল সেতুর ৩৯০০ মিটার।মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে ২৮ ও ২৯ নম্বর পিলারে ৫-ডি আইডি নম্বরের স্প্যানটি বসানো হয়। ২৫তম স্প্যান বসানোর ১৮ দিনের মাথায় ২৬ তম স্প্যানটি বসানো সম্ভব হলো। ঢাকা ও
আশপাশের অঞ্চল থেকে পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলে যাওয়ার এ স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেবে আর ১৫টি স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে। পদ্মা সেতু সহকারী প্রকৌশলী হুমায়ুন কবীর এসব তথ্য নিশ্চিত
করে জানিয়েছেন, সকাল সোয়া ৯টার দিকে স্প্যানটি বসানো সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে সোমবার (৯ মার্চ)সকালে মুন্সীগঞ্জের মাওয়ার কুমারভোগ কন্সট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে স্প্যানটি ২৮ ও ২৯ নম্বর পিলারের কাছে নিয়ে রাখা হয়।তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে মাওয়ার কন্সট্রাকশন ইয়ার্ডে
আরও দু’টি স্প্যান এনে রাখা হয়েছে। বর্তমানে ৩৯টি স্প্যান আছে প্রকল্প এলাকায়। সেতুর ৪২টি পিলারের মধ্যে ৪০টি পিলারের কাজ শেষ। বাকি আছে দু’টি পিলারের কাজ চলছে।আগামী মার্চে যা শেষ হবে। আর পদ্মা সেতুতে ৪১টি স্প্যানের মধ্যে ২৬টি বসানো শেষ হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রকৌশলী জানিয়েছে, করোনা ভাইরাসের প্রভাবে চীনা শ্রমিকদের একটি বড় অংশ অনুপস্থিত।
যার প্রভাবে কাজের গতি স্বাভাবিক রাখতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ২৬ তম স্প্যানটি অল্প সময়ের মধ্যে বসানোর কথা থাকলেও এসবের কারণে বেশি সময় নিয়ে বসানো হলো। ইতোমধ্যে পদ্মাসেতুর ৪২টি পিলারের মধ্যে ৪০টি পিলারের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি দুইটি পিলারের কাজ শেষ হবে এপ্রিল মাসেরপ্রথম সপ্তাহের মধ্যে।

চীন থেকে আসা দুইটি স্প্যানসহ মোট ৩৯টি স্প্যান এখন মাওয়ায় আর বাকি দুইটি আসা অপেক্ষায়। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মাসেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে চীনের আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো।