ঢাকা শুক্রবার, ১৯শে জুলাই, ২০১৯ ইং | ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৫ই জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী

সন্ধ্যা ৬:০৭
জাতীয়টপ স্লাইড

নুসরাতের পরিবারের সাথে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক;
ফেনীতে সোনাগাজীর মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির বাবা একেএম মুসা ও মা শিরিনা আক্তারসহ দুই ভাইয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এসে তারা সাক্ষাৎ করেন। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা নুসরাতের পরিবারের প্রতি সান্ত্বনা ও গভীর সমবেদনা জানান। এসময় প্রধানমন্ত্রী তাদের সকল প্রকার সহযোগিতার আশ্বাসও দেন।

তিনি বলেন, দুষ্কৃতকারীরা কেউই আইনের হাত থেকে কোনভাবেই কেউ রেহাই পাবে না।

উল্লেখ, গত ৬ এপ্রিল সকালে আলিম পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসায় যান নুসরাত জাহান রাফি। এসময় মাদরাসার এক ছাত্রী সহপাঠী নিশাতকে ছাদের ওপর কেউ মারধর করেছে এমন সংবাদ দিলে তিনি ওই বিল্ডিংয়ের ছাদে যান। সেখানে মুখোশপরা ৪/৫ জন তাকে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে মামলা ও অভিযোগ তুলে নিতে চাপ দেয়। এতে নুসরাত অস্বীকৃতি জানালে তারা গায়ে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যান অগ্নিদগ্ধ নুসরাত জাহান রাফি। পরদিন সকালে ময়তদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের বুঝিয়ে দিলে বিকেলে সোনাগাজী পৌরসভার উত্তর চরচান্দিয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এ ঘটনায় সোমবার রাতে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা ও পৌর কাউন্সিলর মুকছুদ আলমসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন রাফির বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান।

নুসরাত চিকিৎসকদের কাছে দেয়া শেষ জবানবন্দিতে বলেছিলেন, ‘নেকাব, বোরকা ও হাতমোজা পরা চারজন তার গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন।’সর্বশেষ ওই হতাকাণ্ডে দুইজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গ্রেফতার অধ্যক্ষের নির্দেশেই নুসরাতের গায়ে আগুন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন গ্রেফতাররা।