• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং | ২রা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৭ই মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী

রাত ৮:১৮

দুর্গম পাহাড়ের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর


অনলাইন ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পার্বত্য চুক্তির পর পাহাড়ে উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার হয়েছে। এখন পাহাড়ের প্রত্যন্ত এলাকায় শতভাগ বিদ্যুতায়নের কাজ সম্পন্ন করা গেলে এখানে উন্নয়নের কাজ আরো বেগবান হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পার্বত্য এলাকার যেখানে বিদ্যুৎ দেওয়া সম্ভব হবে না সেখানে সৌর বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে হবে। পাহাড়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলের যেসব জায়গায় বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা সম্ভব নয় বা দুর্গমতার কারণে যেখানে বিদ্যুতায়ন সম্ভব নয় সেসব প্রত্যন্ত এলাকায় সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

গতকাল বুধবার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে ৭.৪ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। এসময় তিনি তিনি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ৪টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ৮টি উপকেন্দ্র এবং ১০টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

বিদ্যুৎ কেন্দ্র চারটি হল- বাঘাবাড়ি ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র, জামালপুর ১১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র, বগুড়া ১১৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ভিডিও কনফারেন্স সঞ্চালনা করেন, রাঙামাটি জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ। ভিডিও কনফারেন্সের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নিয়ে জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ বলেন, পার্বত্য জেলা রাঙামাটির উন্নয়নে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের একটি অধ্যায়। জাতির পিতা তিনবার রাঙামাটি সফর করেছিলেন। সর্বশেষ ১৯৭৪ সালে বেতবুনিয়া উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র উদ্বোধন করেছিলেন। বর্তমানে জাতির পিতার স্বপ্নে সারা দেশের সঙ্গে উন্নয়নে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে পার্বত্য জেলা রাঙামাটি। এ জেলার উন্নয়ন এখন দৃশ্যমান। কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশাপাশি ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের বিদ্যুৎ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা, রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাইনুর রহমান, চাকমা সার্কেল চিফ ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায়, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রদানেন্দু বিকাশ চাকমা, রাঙামাটি জোন কমান্ডার মো. রফিকুল ইসলাম, রাঙামাটি সিভিল সার্জন ডা. শহীদ তালুকদার, রাঙামাটি পুলিশ সুপার মো. আলমগীর কবির, রাঙামাটি মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. টিপু সুলতান, রাঙামাটি পৌরসভা মেয়র মো. আকবর হোসেন চৌধুরী, রাঙামাটি সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শহীদুজ্জামান মহসীন রোমানসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।