• ঢাকা
  • সোমবার, ২১শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং | ৬ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২১শে সফর, ১৪৪১ হিজরী

সকাল ৮:১২

ত্রাণ থেকে বঞ্চিত রৌমারীর ৪০০ পরিবার


কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের চাক্তাবাড়ী গ্রামের চাক্তাবাড়ী বেরীবাধঁ ভাঙ্গনে চাক্তাবাড়ী হতে ডিগির মোড় পর্যন্ত ও রৌমারী সদর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের চাক্তাবাড়ী দক্ষিণ পাড়ায় প্রায় ৪’শ পরিবার ত্রাণ থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, যাদুরচর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের চাক্তাবাড়ী গ্রামে গত ১৫ জুলাই সোমবার বেরিবাঁধ ভেঙ্গে প্রায় আড়াইশত পরিবার এবং ব্রহ্মপুত্র নদের তীর উপচে রৌমারী সদর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের চাক্তাবাড়ী দক্ষিন পাড়ায় দেড়শত পরিবার প্লাাবিত হয়ে ঘরবাড়ি,শাকসবজি, বীজতলা পানিতে নিমজ্জিত হয়। এ সময় কোন পরিবার নিজ ঘর থেকে ধান, চাল, কাপড়-চোপড়, হাঁস-মুরগী, গরু, ছাগলসহ সংসারের অন্যান্য মালামাল কোন কিছু নিরাপদ স্থানে নেওয়ার সময় টুকু পায়নি।

কয়েকদিন থেকে পানিতে অতিকষ্টে দিনাতীপাত করছেন। সরকারী বে-সরকারিভাবে এ এলাকায় কোন প্রকার ত্রাণ সামগ্রী পায়নি বলে জানান পানিতে নিমজ্জিত পরিবারের মাঝে নাগর আলী, ছামিউল ইসলাম, নুরজাহান বেওয়া, রফিয়াল হক, সোলায়মান রহমান, জবেদা খাতুন, কামরুল ইসলাম, জাইদুল ইসলামসহ অনেকে।

তারা আরো জানান, আমরা আজ ১০/১২ দিন থেকে পানিতে ভাসছি দেখার কেউ নেই এবং সরকারী বা বে-সরকারিভাবে একমুঠো খাবারো আমাদের মুখে জোটেনি। আমরা ছেলে মেয়ে গরু, ছাগল, ভেড়া, হাসঁ, মুরগী নিয়ে খুব বিপাকে আছি।

যাদুরচর ইউপি চেয়ারম্যান সরবেশ আলী বলেন, আমার ইউনিয়নে প্রায় ১১ হাজার পরিবার এর মধ্যে প্রায় ৪ হাজার পরিবারের মাঝে কিছুকিছু করে সরকারী ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। তার মধ্যে বাঁধ ভাঙ্গনে প্লাবিত চাক্তাবাড়ী এলাকায় প্রায় ৫/৬শ পরিবার ত্রাণ থেকে বঞ্চিত রয়েছে।

যাদুরচর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হযরত আলী ও রৌমারী সদর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের তমিজ উদ্দিনের কাছে এ এলাকায় ত্রাণ বিতরণ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা জানান, সরকারিভাবে আমরা যে ত্রাণ পেয়েছি তাতে অন্যান্য এলাকায় দিতেই শেষ হয়েছে। ত্রাণ নাই বিধায় ঐ এলকায় দিতে পারি নাই। তবে ত্রাণ পেলে সেখানে দেয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার দ্বীপঙ্কর রায়ের সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে এখনেই আমি খোঁজ নিচ্ছি।