• ঢাকা
  • বুধবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং | ৮ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২৩শে সফর, ১৪৪১ হিজরী

দুপুর ২:৩২

তিন দিনে একাদশে ভর্তির আবেদন ৮ লাখ


নিজস্ব প্রতিবেদক: একাদশে ভর্তিতে তিন দিনে অনলাইন ও এসএমএসের মাধ্যমে সারাদেশে প্রায় ৮ লাখ আবেদন জমা পড়েছে। তার মধ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে প্রায় ১ লাখ আবেদন রয়েছে। প্রায় আড়াই লাখ আবেদনকারী এই আবেদন করেছে বলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

গত রোববার দুপুর ২টা থেকে অনলাইনে প্রথম ধাপের আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। চলবে ২৩ মে পর্যন্ত।

ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক হারুন অর রশীদ মঙ্গলবার বলেন, গত তিন দিনে সারাদেশে সাধারণ আট বোর্ড ও মাদরাসা বোর্ডের অধীনে প্রায় ৮ লাখ আবেদন জমা হয়েছে। কলেজে ভর্তির জন্য প্রায় আড়াই লাখ শিক্ষার্থী আবেদন করেছে। তার মধ্যে ঢাকা বোর্ডে প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী ১ লাখ আবেদন করেছে।

তিনি জানান, প্রথম ধাপে আবেদন করা যাবে ২৩ মে পর্যন্ত। এই পর্যায়ে আবেদনকারীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১০ জুন।

দ্বিতীয় পর্যায়ে আবেদন করা যাবে ১৯ ও ২০ জুন। ২১ জুনই তাদের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে। তৃতীয় ধাপে আবেদন নেয়া হবে ২৪ জুন। ফল প্রকাশ করা হবে ২৫ জুন।

২৭ থেকে ৩০ জুনের মধ্যে শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত কলেজে ভর্তি হতে হবে।

অনলাইনে সর্বনিম্ন ৫টি ও সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা মাদরাসায় আবেদন করা যাবে। এর জন্য নেয়া হবে ১৫০ টাকা। মোবাইল ফোনে প্রতি এসএমএসে একটি করে কলেজে আবেদন করা যাবে। এর জন্য মোট ১২০ টাকা লাগবে।

এসএমএস ও অনলাইন মিলিয়ে কোনো শিক্ষার্থী ১০টির বেশি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবে না।

কলেজ পছন্দ করতে এবার প্রথম ধাপের আবেদনের ফল প্রকাশ না করা পর্যন্ত আবেদন তালিকায় কলেজের পছন্দক্রম রদ-বদল করতে পারবে শিক্ষার্থীরা।

ভর্তির জন্য কলেজ পাওয়ার পর শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চায়ন (রেজিস্ট্রেশন) করতে হবে। এর জন্য বিকাশ, শিওরক্যাশের মাধ্যমে ১৯৫ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

জানা গেছে, এবার ভর্তির সব আসনই মেধারভিত্তিতে পূরণ করা হবে। তবে বিভিন্ন কোটার মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা- রাজধানীতে ৫ শতাংশ, বিভাগীয় ও জেলা সদরে ৩ শতাংশ। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধঃস্তন সব দফতরের কোটা ২ শতাংশ, বিকেএসপিতে শূন্য দশমিক ৫ এবং প্রবাসীদের জন্য শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ কোটা রয়েছে। যদি এসব কোটায় উপযুক্ত প্রার্থী না পাওয়া যায় তবে এ আসনে অন্য কাউকে ভর্তি করা যাবে না।

ভর্তি নীতিমালায় একাদশ শ্রেণিতে সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি মফস্বল, পৌর (উপজেলা) এলাকায় ১ হাজার টাকা, পৌর (জেলা সদর) এলাকায় ২ হাজার টাকা, ঢাকা ছাড়া অন্যান্য সব মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩ হাজার টাকা ধার্য করা হয়েছে।

তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থিত এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে ৫ হাজার টাকার বেশি আদায় করা যাবে না। মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থিত আংশিক এমপিওভুক্ত বা এমপিওবহির্ভূত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা হিসেবে শিক্ষার্থীদের ভর্তির সময় ভর্তি ফি, সেশন চার্জ ও উন্নয়ন ফিসহ বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৯ হাজার টাকা এবং ইংরেজি ভার্সনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এদিকে দেশের সব পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, ইনস্টিটিউট অব গ্লাস অ্যান্ড সিরামিকস, গ্রাফিক্স আর্টস ইনস্টিটিউট, ফেনী কম্পিউটার ইনস্টিটিউট, বিভিন্ন সার্ভে ইনস্টিটিউট, ভোকেশনাল টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে ৪ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ডিপ্লোমা ইন ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তির কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। একটানা ৮ জুন পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। ফল প্রকাশ ১৫ জুন। পরদিন থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত মূল মেধাতালিকায় স্থানপ্রাপ্তরা ভর্তি হতে পারবে। ২৯ জুন থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত অপেক্ষমাণ তালিকার প্রার্থীরা ভর্তি হতে পারবে।