• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৪ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং | ২৯শে কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৬ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী

বিকাল ৫:১৭

তরমুজ চাষে লাভের স্বপ্ন


ঝিনাইদহ সংবাদদাতা : ঝিনাইদহ কালীগঞ্জের বেথুলী গ্রামের আব্দুর রহমান। যিনি এলাকায় একজন সবজি চাষি হিসেবে পরিচিত। আব্দুর রহমান তার গ্রামের বেশ কয়েক জনের কাছ থেকে প্রায় ২০ বিঘা জমি বছরে ১২ হাজার টাকার চুক্তিতে ইজারা নিয়ে সবজির চাষ করেছেন। এরমধ্যে বল্লাকবেবি জাতের গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ রয়েছে ৯০ শতাংশ জমিতে। দাম ঠিক থাকলে লাভ আসবে ভাবনার চেয়ে বেশি। এমনই আশা করছেন আব্দুর রহমান।

উপজেলার মালিয়াট ইউপির বেথুলী গ্রামের মাঠে গেলে দূর থেকে নজরে পড়ে চাষি রহমানের তরমুজ ক্ষেতের মাচা। দূর থেকে মনে হয় মাঠের মাঝখানে লাউয়ের মাচা। বড় তরমুজগুলোতে নেট পরিয়ে দেয়া হয়েছে যেন তরমুজের ভারে গাছের ডগাগুলো মাটিতে পড়ে না যায়।

আব্দুর রহমান বলেন, মাত্র আড়াই বিঘা জমি ছাড়াও গ্রামের অন্যদের কাছ থেকে জমি বর্গা নিয়ে প্রায় ২০ বিঘা জমিতে করলা, বেগুন, ঢেঁড়স, কাঁচাকলা, পুঁইশাক, তরমুজসহ বিভিন্ন সবজির চাষ করেছি। প্রায় ২৫ বছর ধরে মাঠে নানা ধরনের সবজির চাষ করছি। চাষ করে জীবনে সফলতাও পেয়েছি।

তিনি বলেন, গত দুই বছর সবজির দাম কমে যাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে লোকসান গুণতে হয়েছে। কিন্তু এ বছর ক্ষেতের তরমুজে লোকসান পুষিয়ে কিছু লাভেরও স্বপ্ন দেখাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, এ পর্যন্ত প্রায় ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আগামী ২০ দিনের মধ্যে ক্ষেত থেকে তরমুজ বিক্রি করতে পারব। দাম ভালো থাকলে যাবতীয় খরচ বাদে কমপক্ষে ৩ লাখ টাকা লাভ আসবে।

উপজেলা কৃষি অফিসার জাহিদুল করিম বলেন, ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকালচার টেকনোলজি প্রোগ্রাম (এনএটিপি-২) আওতায় আব্দুর রহমান গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ করেছেন। তাকে কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে নেট, বাঁশসহ বিভিন্ন উপকরণ কিনে দেয়া ছাড়াও টেকনিক্যাল সহযোগিতা দেয়া হয়েছে।