• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৫ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং | ৩০শে কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৭ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী

বিকাল ৪:৫৯

ডিএসইতে পতন অব্যাহত, কমেছে লেনদেনও


নতুন কাগজ ডেস্ক: সূচক ও লেনদেনের নিম্নমুখী ধারায় শেষ হলো আজকের দিনের পুঁজিবাজারের কার্যক্রম। দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক ও লেনদেন গত দিনের তুলনায় কমেছে। একই অবস্থা চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও। পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে বিএসইসি সংস্কার ও দুর্বল প্রতিষ্ঠানের অন্তর্ভুক্তি বন্ধের দাবি জানান ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা।
দীর্ঘদিন ধরে বেশ অস্থিতিশীল দেশের পুঁজিবাজার। গেলো সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ- ডিএসইর প্রধান সূচক নামে ৫ হাজার পয়েন্টের নিচে। আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক নামে ১৫ হাজার পয়েন্টের নিচে। এনিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের মধ্যে।
সূচক ও লেনদেনের পতন ঠেকাতে আবারো, সোচ্চার ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা। অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন- বিএসইসির অদক্ষতার কারণেই পতন ঠেকানো যাচ্ছে না। তাই বরাবরের মতো নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির সংস্কার দাবি করেন তারা। একই সাথে দুর্বল প্রতিষ্ঠানের আইপিও অনুমোদন বন্ধের আহ্বান জানান বিনিয়োগকারীরা।
দিনব্যাপী সূচকের উত্থান-পতনের পর ঊর্ধ্বমুখী ধারায় শেষ হলো ডিএসইর কার্যক্রম। প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৮ বেড়ে হয় ৪ হাজার ৯৪২ পয়েন্টে। তবে আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের চেয়ে ৮৮ কোটি টাকা কমে লেনদেন হয় ৩১৭ কোটি টাকা।
লেনদেন হওয়া শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বাড়ে ১৮৪টির কমে ১১৮টির। অপরিবর্তিত ছিলো ৫০টির দাম।
ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে ছিলো
ন্যাশনাল টিউবস লিমিটেড
জেএমআই সিরিঞ্জেস অ্যান্ড মেডিক্যাল ডিভাইসেস লিমিটেড
বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড
ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেড
লিগ্যাসি ফুটওয়্যার লিমিটেড
সূচকের নিম্নমুখী ধারা ছিলো চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ- সিএসইতে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১১ পয়েন্ট কমে হয় ১৪ হাজার ৯৭০। তবে আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের চেয়ে ২০ কোটি টাকা বেড়ে লেনদেন হয় ৩২ কোটি টাকা।
লেনদেন হওয়া শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বাড়ে ১২৮টির কমে ৯২টির। অপরিবর্তিত ছিলো ৩৫টির দাম।

নতুন কাগজ/আরকে