• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৯শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং | ৪ঠা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২১শে রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী

সকাল ৬:০৩

জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের মুক্তি চায় জাতিসংঘ


উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে কারাদণ্ড দেয়ায় ব্রিটিশ সরকার তার মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে বলে সমালোচনা করেছে জাতিসংঘ। অবিলম্বে তাকে মুক্তি দেয়ারও আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক এ সংস্থাটি।

বুধবার অ্যাসাঞ্জকে ৫০ সপ্তাহের কারাদণ্ড দেয় যুক্তরাজ্য। লন্ডনের সাউথওয়ার্ক ক্রাউন কোর্ট এই দণ্ডাদেশ দেন।

জামিনের শর্ত ভঙ্গের অভিযোগে অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি ছিল ব্রিটিশ সরকারের। ২০১২ সালের জুন থেকে লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসে কূটনৈতিক আশ্রয়ে ছিলেন জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ।

গত ৭ বছর ধরে জামিনের শর্ত ভঙ্গ করে লন্ডনে ইকুয়েডর দূতাবাসে আশ্রয় নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু গত ১১ এপ্রিল ইকুয়েডর অ্যাসাঞ্জকে দেয়া কূটনৈতিক আশ্রয় প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়। এই ঘোষণার পরপরই দূতাবাস থেকে লন্ডনের মেট্রোপলিট্রন পুলিশ অ্যাসাঞ্জকে গ্রেপ্তার করে।

নির্বিচারী কারাদণ্ড নিয়ে কাজ করা জাতিসংঘের কার্যনির্বাহী দল ডব্লিউজিএডি জানিয়েছে, জামিনের শর্ত ভঙ্গের শাস্তি হিসেবে জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের ওপর চাপানো এই ‘সামাঞ্জস্যহীন সাজা’ নিয়ে তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এই শর্ত ভঙ্গের বিষয়টিকে ‘লঘু লঙ্ঘন’ হিসেবে উল্লেখ করেছে দলটি।

এর আগেও দু’বার অ্যাসাঞ্জকে ছেড়ে দিতে ব্রিটিশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল জাতিসংঘের এই কার্যনির্বাহী দল। তাদের বক্তব্য ছিল, ইকুয়েডর দূতাবাস ছাড়লেই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে, এই আশঙ্কায় এতদিন যে তিনি সেখানে আটকে ছিলেন, এই সময়টাকেই তার সাজা হিসেবে ধরে নিয়ে তাকে মুক্ত করে দেয়া উচিত। কিন্তু যুক্তরাজ্য এ আহ্বান মেনে নেয়নি।জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ-মুক্তি-জাতিসংঘ

শুক্রবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ডব্লিউজিএডি বলে, ‘কার্যনির্বাহী দল অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছে যে, সরকার আমাদের মতামতের সঙ্গে একমত হয়নি। বরং এখন নতুন করে অ্যাসাঞ্জকে নির্বিচারে তার মুক্তি থেকে বঞ্চিত করছে।’

অ্যাসাঞ্জকে সব দাগী আসামিদের সঙ্গে ১১ এপ্রিল থেকে বেলমার্শ কারাগারে বন্দী আছেন। তার অপরাধের তুলনায় তার সঙ্গে এ ধরনের আচরণ মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে দাবি করেছে জাতিসংঘ। অ্যাসাঞ্জকে কারাগার থেকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে আবারও আহ্বান জানিয়েছে ডব্লিউজিএডি।