• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৯শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং | ৪ঠা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২১শে রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী

দুপুর ২:২৫

জটিল হচ্ছে রোহিঙ্গা সংকট


মো: সাহেদ : রোহিঙ্গা সংকট কাটছে না।বরং ক্রমেই জটিল হচ্ছে। গত ২২ তারিখ থেকে প্রত্যাবাসন কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা ছিল। যানবাহনও প্রস্তুত ছিল। কিন্তু  কোনো রোহিঙ্গা ফিরে যেতে রাজি হয়নি। গত বছরের নভেম্বরে একই অবস্থা হয়েছিল|

 এর পরও রোহিঙ্গাদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে। কোনো রোহিঙ্গা রাজি হলে তাদের ফেরত পাঠানোর প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।  তাদের না যাওয়ার সিদ্ধান্ত দলগত ও আরোপিত। সাক্ষাৎকার নেওয়া প্রায় সবাই  একই কথা বলছে। তারা বলছে, আমাদের চাহিদা আগে বুঝে দিতে হবে।তারপর তারা ফিরে যাবেন।  মিয়ানমার জাতীয় পরিচয়পত্র এবং পর্যায়ক্রমে নাগরিকত্ব দেওয়া আশ্বাস দিলও তারা সেটা মানছে না। তারা বলছে,  চার দফা দাবি আদায় না করে মিয়ানমারে ফেরত য যাবে না। তবে কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থাও প্রকারান্তরে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কণ্ঠ মেলাচ্ছে বলে অভিযোগ আছে। কিন্তু এই চার দফা দাবি মেনে নিতে মিয়ানমারকে বাধ্য করার ব্যাপারে তারা কার্যত কোনো পদক্ষেপই নিচ্ছে না। মিয়ানমার  যাচ্ছে,  রোহিঙ্গারা আর যাতে ফিরে না আসে।

ধারনা করা হচ্ছে, এভাবে চললে আগামী ১০বছরের মধ্যে মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের দাবি মেনে নেবে না।তাহলে এই ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা কি বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে থেকে যাবে? তাতে মিয়ানমারের দুরভিসন্ধিরই জয় হবে।

প্রাকৃতিক বনভূমির দিক থেকে কক্সবাজার  সবচেয়ে সমৃদ্ধ একটি অঞ্চল। কিন্তু এখন  তা ধ্বংসের শেষ পর্যায়ে। আস্তে আস্তে সেখানকার বাসিন্দাদের জীবনে নেমে আসছে চরম দুর্যোগ।

তাই সরকারের  উচিত হবে, এদিকে কড়া নজর দেয়া। কারন প্রভাবশালীরা  এখানে থেকে কোটি কোটি টাকা আয় করছ ইয়াবা চোরাচালানের মাধ্যমে। অস্ত্র চোরাচালানেও জড়িত  তারা। সরকার উচিত হবে এ ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া। আমরা রোহিঙ্গা সমস্যার দ্রুত সমাধান চাই।