• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২০ ইং | ২৫শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১৬ই জিলক্বদ, ১৪৪১ হিজরী

রাত ৪:১৭

ছাদকৃষিতে সাফল্য পেছেন কালীগঞ্জের সাবজাল হোসেন


ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ বসত বাড়িতে ঢুকতেই বড় বড় প্লাস্টিকের পাত্রে লাগানো হয়েছে বিভিন্ন ধরণের ফলদ গাছ। আর ছাদে কবুতরের খামার ঘিরে তৈরি করা হয়েছে বিষমুক্ত সবজি ও ওষধী বাগানে। এ যেন শহুরে জীবনে গ্রামীণ ছোঁয়া।

এমন কৃষিঘেরা বাড়িতে রূপান্তরিত করে আলোচনায় এসেছেন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের সাবজাল হোসেন। শহরের পৌর এলাকার ফয়লা মাস্টারপাড়ার তার নিজের বাসাবাড়ির ছাদ ও বাসার চারপাশে সবজি আর নানা ধরণের ফলদ গাছ দেখে অনেকে ঝুঁকছেন ছাদ বাগানে।
ফলে তিনি সারাজীবন কৃষি নির্ভর সাংবাদিকতায় ২ বার সন্মাননা লাভকারী তিনি এখন নিজেই পত্রিকার সংবাদে পরিণত হয়েছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, বাসায় প্রবেশের পথের প্রথমেই নজরে আসে কয়েকটি ভিন্ন জাতের আম, লেবু, মাল্টা, পেয়ারা, পেপে, কমলা, বিদেশি আমড়া, আতাসহ বিভিন্ন ধরনের ফলের গাছ। এরই পাশে লাগানো লাউ, পুইশাক, করলা, আর সিমের টাল। আর ছাদে উঠতেই নজরে পড়ে প্রায় শতাধিক প্লাস্টিক আর মাটির পাত্র যেখানে লাগানো হয়েছে লাউ, টমেটো, মরিচ, দেশি-বিদেশি ধনিয়া, বেগুনসহ বিভিন্ন সবজির সতেজ গাছ। আর বেয়ে বেড়ানো লাউ গাছ ছাদের উপরের টালেই শোভা পাচ্ছে। শুধু তাই নয় একপাশে রয়েছে পুদিনা, কয়েক জাতের তুলসি, কালমেঘীসহ বেশ কিছু ঔষধী গাছ।

তবে সবচেয়ে বেশি নজরে পড়ার মতো অনেকগুলো দেশি-বিদেশি জাতের কবুতর। এ পাখিগুলো ছাদের একপাশের একটি চাটাইয়ের ঘরের মধ্যে পায়রার ঘর বসিয়ে ছেড়ে পালন করছেন। পায়রার বিষ্টা শুকিয়ে গাছে প্রয়োগ করেন এতে কোনও ধরণের রাসায়নিক সারের প্রয়োজন হয় না। আবার অনেকের নিকট থেকে জৈব সার এনে তার গাছগুলোতে দিয়ে থাকেন।

তিনি জানান, পায়রাগুলো এমন পোশ মেনেছে ছাদে উঠতেই চারপাশ থেকে যে যার মত করে উড়ে এসে আশপাশে ঘুর ঘুর করে। অবস্থাটা এমন পায়রাগুলো যেন মালিকের ঘেরাও করে খাবারের আাবেদন জানাচ্ছে। পায়রাগুলোর মায়ায় যেন বন্দি হয়েছেন সাবজাল হোসেন।

ন/ক/প