• ঢাকা
  • বুধবার, ১৩ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং | ২৮শে কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৫ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী

সকাল ১০:৩৯

চুয়াডাঙ্গায় ‘বন্দুকযুদ্ধে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী’ নিহত


চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, নিহত ব্যক্তি একজন তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী।

গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার উকতো গ্রামের একটি বাঁশবাগানে ওই ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে বলে আজ শনিবার সকালে দাবি করেছেন চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান।

নিহত ব্যক্তির নাম রুহুল আমীন। তিনি চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার শান্তিপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

‘বন্দুকযুদ্ধ’ সম্পর্কে ওসির ভাষ্য হচ্ছে, ‘গতকাল রাতে একদল মাদক ব্যবসায়ী উকতো গ্রামের মধ্য দিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদক পাচার করবে, এমন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকার একটি বাঁশবাগানে অবস্থান নেয় সদর থানার একটি টহল দল। রাত ২টার দিকে সাত-আটজন মাদক ব্যবসায়ী মাথায় করে বস্তাভর্তি মাদক বহন করছিলেন। সে সময় চ্যালেঞ্জ করা হলে তাঁরা অতর্কিতে পুলিশের ওপর গুলি চালায়। পুলিশও পাল্টা গুলি করে।’

‘প্রায় ১৫ মিনিট গোলাগুলির পর মাদক ব্যবসায়ীরা পিছু হটে। সে সময় স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী রুহুল আমীনকে উদ্ধার করা হয়। পরে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক রুহুলকে মৃত ঘোষণা করেন’, বলেন ওসি ফকরুল আলম।

ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শ্যুটারগান, দুটি গুলি, দুটি ধারালো হাসুয়া ও এক বস্তা ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে দাবি করে ওসি আরো বলেন, গোলাগুলির সময় উপ-পরিদর্শক (এসআই) একরাম হোসেন, ভবতোষ কুমার ও এক কনস্টেবল আহত হন। তাঁদের সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

জেলা পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান জানান, নিহত রুহুল জেলা পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। তাঁর নামে জেলার বিভিন্ন থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১৬টি মামলা রয়েছে।

রুহুলের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।