• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১২ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং | ২৭শে কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৩ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী

রাত ৪:৩৬

চন্দ্রগঞ্জে আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভায় যুবলীগ-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ


লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরে চন্দ্রগঞ্জে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভায় শ্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে যুবলীগ-ছাত্রলীগের দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৩জন নেতাকর্মী আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১১টায় সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাবার্র্ষিকীর আলোচনা সভায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে বলে জানিয়েছেন চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ।

পুলিশ ও দলীয় নেতাকর্মীরা জানায়, আওয়ামীলীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ র‌্যালী ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। সকালে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকু ও সাধারন সম্পাদক এডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়নের নেতৃত্বে একটি র‌্যালী বের করা হয়। র‌্যালী শেষে আলোচনা সভায় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের উপস্থিতিতে শ্লোগান দেয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীর সাথে যুবলীগের নেতাকর্মীদের কথাকটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে উত্তেজিত নেতাকর্মীরা সভামঞ্চের চেয়ার ছুড়াছুড়ি করে। এসময় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এতে কফিল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নিশান,ছাত্রলীগ নেতা সোহেল হোসেন,রাজু,মামুন হোসেন.ফিরোজ আলম ও যুবলীগ নেতা আবদুর রেজ্জাক রিংকু, তাজু ভ’ইয়া,রোমেল,সৌরভ হোসেন, পারভেজ ও পুলিশের এসআই সোহেল মিয়াসহ ১৩জন। এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা একে অপরকে দায়ী করছে।

এ দিকে পরিস্থিতি শান্ত হলে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৭০ ফাউন্ড ওজনের একটি কেক কাটা হয়। এ সময় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকু, সাধারণ সম্পাদক নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়নসহ জেলা ও ইউনিয়নের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যারা সংঘর্ষে জড়িয়েছে। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।