• ঢাকা
  • শনিবার, ১৬ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং | ১লা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৭ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী

ভোর ৫:০০

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে সবার আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়া নিশ্চিত করতে হবে


বঙ্গোপসাগরে উৎপন্ন হয়েছে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’। আবহাওয়া অফিস জানায়. আজই এটি বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে। এ সময় বাতাসের  গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১৩৫ থেকে ১৪৫ কিলোমিটার। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, ক্রমই শক্তিশালী হওয়া ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলীয় অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে দুর্যোগ মোকাবেলায় ব্যাপক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সবাই যাতে আশ্রয়কেন্দ্রে যায় তা নিশ্চিত করা সবচেয়ে জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা বলছেন, এখন পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড়টির  যে গতিপথ দেখা যাচ্ছে, সেটি যদি আর না বদলায়, তাহলে এটি বাংলাদেশের সাতক্ষীরা থেকে ভোলা পর্যন্ত বিস্তীর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলে প্রবল আঘাত হানতে পারে। এ সময় বিপজ্জনক জলোচ্ছ্বাসও হতে পারে। এর আগে ২০১৬ সালের মে মাসে এই একই অঞ্চলে আঘাত হেনেছিল ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু। তখন প্রায় ২০ লাখ লোককে আশ্রয়কেন্দ্র বা অন্যান্য স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। রোয়ানুতে যে ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল, তারা প্রায় সবাই আশ্রয়কেন্দ্রে না গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিজের বাড়িঘরেই থেকে গিয়েছিল। এবার যেন তার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

আমরা মনে করি, উপকূলবাসীর জীবনরক্ষায় তাৎক্ষণিক বিপদ মোকাবেলার পাশাপাশি স্থায়ী উদ্যোগগুলো দ্রুততার সঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে। ঘূর্ণিঝড় বুলবুল আঘাত হানার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার সব মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিতে হবে এবং সেখানকার ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে হবে। আশার কথা, সরকার এ বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক এবং সজাগ।