• ঢাকা
  • শনিবার, ৬ই জুন, ২০২০ ইং | ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১৩ই শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী

বিকাল ৩:১৮

গৃহবধূকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড


নতুন কাগজ ডেস্ক: জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার রায়কালী ইউনিয়নের গুচ্ছ গ্রামে বসবাসকারী আরতী রানী (৩৫) নামে এক গৃহবধূকে ধর্ষণ শেষে হত্যার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় ৭ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ২ জনকে ৫ লাখ ও ৫ জনকে ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডও প্রদান করা হয়।
মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে জয়পুরহাট নারী শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক এ.বি.এম মাহমুদুল হক এ রায় প্রদান করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন- আক্কেলপুর উপজেলার মারমা পূর্ব পাড়ার খয়বর আলীর ছেলে সোহেল তালুকদার (২৭), একই উপজেলার দেওরা সোনার পাড়ার মৃত রইচ উদ্দীনের ছেলে আফজাল হোসেন (৫০), দেওড়া গুচ্ছ গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে আব্দুর রাহিম, দেওরা সাখিদার পাড়ার মৃত এবাদৎ আলী সাখিদারের ছেলে ফেরদৌস আলী সাখিদার (৪৪), দেওরা সোনার পাড়ার ভোলা সোনারের ছেলে মজিবর রহমান সোনার, জগতি পাড়ার আব্দুর রশিদের ছেলে রুহুল আমিন (৩৭) ও দেওরা গুচ্ছ গ্রামের মৃত ইছাহাক আলীর ছেলে আজিজার রহমান (৫২)।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে ৮ অক্টোবর রাত ৯টার দিকে আরতী রানী প্রকৃতির ডাকে ঘরের বাহিরে বের হলে কয়েকজন লোক জোড়পূর্বক তুলে নিয়ে যায়। ঘরে থাকা তার মেয়ে অর্চনা রানীর চিৎকারে প্রতিবেশী ও গ্রামবাসীরা তাকে খুঁজতে থাকে। তাকে রাত ১০টার দিকে পোড়া পুকুরের পশ্চিম পাড়ের জনৈক টুটুলের ধান ক্ষেতের মধ্যে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে। আদমদিঘী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাবার পথে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
আরতী রানীর স্বামী বাদী হয়ে আক্কেলপুর থানায় ১০ অক্টোবর সাখিদার পাড়ার ফেরদৌস ও মারমার সোহেলসহ অজ্ঞাতনামা বেশ কয়েকজনের নামে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধনী ২০০৩) এর ৯ (৩) ধারা মতে একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ২০১৯ সালের ২৯ জুলাই আদালতে ৭জনের নাম উল্লেখ করে চার্জশিট জমা দিলে ১৯ জন স্বাক্ষীর শুনানী শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন।
রাষ্ট্র পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট ফিরোজা চৌধূরী ও আসামী পক্ষে অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম তরুণ।

নতুন কাগজ/আরকে