• ঢাকা
  • শনিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং | ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২৭শে জমাদিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরী

সকাল ৭:১৫

গাড়ি পার্কিংয়ের স্থানে অবৈধ দোকান


হুমায়ুন কবির : রাজধানীর উত্তরা এলাকায় বানিজ্যিক ভবনে কার পার্কিংএর জায়গায় অবৈধ ভাবে দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কে ভাড়া দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে হাউজবিল্ডিং সংলগ্ন হোসাইন টাওয়ারের আন্ডার গ্রাউন্ডে কার পার্কিং এর পরিবর্তে ২০ টির বেশী দোকান ভাড়া দেওয়া হয়েছে।

পনের তালা বিশিষ্ট এই বানিজ্যিক ভবনে ব্যাংক,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অফিসসহ কয়েকশ দোকান রয়েছে।পার্কিং এর জায়গা না থাকায় প্রতিষ্ঠানের মালিক ও কর্মচারীদের গাড়ি রাস্তায় পার্কিং করা হচ্ছে। ফলে সড়কে যানজটের সৃস্টি হয়। মহাসড়কের পাশে ভবনটির অবস্থান হলেও গাড়ী পার্কিং এর প্রবেশ পথ সাত নং সেক্টরের ৩৫ নং রাস্তা দিয়ে।

মুল প্রবেশ পথসহ পার্কিং এর পুরো জায়গা জুড়ে দোকান ভাড়া দেওয়া হয়েছে। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এর ভবন নির্মান আইন অমান্য করে বেশী লাভের আশায় মালিকগন সরকারের বিধিমালা অমান্য করে চলেছেন। মহামান্য হাইকোর্ট বানিজ্যিক ভবন গুলোর পার্কিং এর জায়গা এক মসের মধ্যে উম্মুক্ত করার আদেশ দিলে রাজউক কর্তৃপক্ষ প্রতিটি অঞ্চলের শ তালা উর্ধ ভবনগুলো পরির্শন করে তালিকা প্রস্তুত করেন এবং ভবন মালিকদের পার্কিং এর জায়গা উম্মুক্ত করতে নির্দেশ দেন।

মালিকগন নির্দিষ্ঠ সময়ের মধ্যে দোকান বা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান সরিয়ে গাড়ী পার্কিং এর জায়গা খালী না করলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে খালী করাসহ জরিমানা করেন। রাজউক উত্তরা অঞ্চল-২ এর পরিচালকও অথরাইজ অফিসারের সহায়তায় নির্বাহী মেজিস্টেটের মাধ্যমে এই অঞ্চলে একাধিক বার অভিযান পরিচালনা করলেও অজ্ঞাত কারনে বহুতল বিশিষ্ঠ এই ভবনে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়নি।হোসাইন টাওয়ারের মটর পার্সের দোকানদারদের মাধ্যমে ৩৫ নং সড়কে গড়ে উঠেছে একাধিক গাড়ির ওয়ার্কশপ ও গাড়ি চোর সিন্ডিকেট।কয়েকদিন পর পরই এই টাওয়ারের পশ্চিম পাশ থেকে মটর বাইক চুরি ও ছিন্তাই এর অভিযোগ পাওয়া যায়।

সাংবাদিকের মরটসাইকেল ও এই চোর সিন্ডিকেটের কাছ থেকে রক্ষা পায়নি। স্থাানটি বর্তমানে গাড়ী চোর ও ছিনতাই এর কেন্দ্র স্থালে পরিনত হয়েছে। পার্কিং এর জায়গায় অবস্থিত দোকানদারদের সাথে কথা বলে জানা যায় যে, রাজউকের কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করেই চলছে তাদের ব্যবসা।

এক দোকানের কর্মচারি প্রতিবেদককে গর্ব করে বলেন, এখানে দোকান করতে রাজউকের কর্মকর্তদের প্রতিমাসে মোটা অংকের টাকা দেই তাই উত্তরার সকল মার্কেটের পার্কিং এর জায়গা খালি হলেও হোসাইন টাওয়ারের পার্কিং এর জায়গা খালি হবেনা। ভবন নির্মান আইন বাস্তবায়ন ও পার্কিং এর জায়গা খালি করার বিষয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর কঠোর হুশিয়ারী ও মহামান্য হাইকোর্টের আদেশ ও রাজউকের নির্দেশের পরও অঞ্চল-২ এর পরিচালক ও অথরাইজ অফিসারের গাফলতিই দোকানদারদের কাছ থেকে উৎকোচ নেওয়ার প্রমাণ বহন করে ।

বিষয়টি নিয়ে রাজউক অঞ্চল-২ এর পরিচালক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম প্রতিবেদককে জানান হোসাইন টাওয়ারে কার পার্কিং রে জায়গা উম্মক্ত করার জন্য মালিক পক্ষকে চুরান্ত চিঠি দিয়েছি, আগামি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করা হবে এবং দোকানদারদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন।