• ঢাকা
  • সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২০ ইং | ২২শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১৪ই জিলক্বদ, ১৪৪১ হিজরী

বিকাল ৪:১২

কৃষকের স্বার্থ রক্ষা জরুরী


সরকারি উদ্যোগে ধান কেনায় অনিয়ম-দুর্নীতির নতুন কিছু নয়। কৃষকদের বঞ্চনার কাহিনী অনেক পুরোনো। নীতিমালা অনুযায়ী সরকারের কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনার কথা থাকলেও  নানা রকম কারসাজির ঘটনা ঘটে থাকে।

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ, বরিশালের বাবুগঞ্জ ও গৌরনদী উপজেলার সরকারি খাদ্যগুদামে আমনের পরিবর্তে বোরো ধান এবং কৃষকদের কাছ থেকে ধান না কিনে ব্যবসায়ী-দালাল-ফড়িয়াদের সঙ্গে যোগসাজশে ধান কেনার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি খাদ্যগুদামের কর্মকর্তার স্বজনদের বিরুদ্ধেও ধান কেনার  অভিযোগ রয়েছে। এর ফলে কৃষক বঞ্চিত হচ্ছেন ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি থেকে ও সরকারের নীতিমালা লঙ্ঘিত হচ্ছে।

গৌরনদীতে আমনের পরিবর্তে  বেশ কয়েক বস্তা বোরো ধান পুলিশ আটকও করেছে। আমন ধান সংগ্রহ অভিযান চলাকালে এর আগে আরও বোরো ধান ওই গুদামে সরবরাহ করার অপপ্রক্রিয়ার সঙ্গে স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের নীতিমালা বিরুদ্ধ কাজ প্রতিকারহীন থাকতে পারে না। তড়িঘড়ি করে নিম্নমানের ধান কেনা ও সিন্ডিকেট কার্ডধারী কৃষকদের নানা অপকর্মের বিষয়ে ইতোপূর্বে আমরা এই সম্পাদকীয় স্তম্ভে লিখেছি। এমনিতেই দেশের প্রকৃত কৃষক কখনও উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য পান না। কৃষকের সেই বঞ্চনা অবসানে সরাসরি প্রকৃত কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনার সরকারি উদ্যোগ এভাবে ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর পকেট ভারি করার কাজে ব্যবহূত হতে পারে না। যেসব দায়িত্বশীল সরকারের সদিচ্ছা জলাঞ্জলি দিয়ে নিজেদের উদরপূর্তি করতে মরিয়া, তাদের চিহ্নিত করে প্রতিকার নিশ্চিত করতেই হবে।

এমটা সারাদেশেই কমবেশি চলছে। প্রকৃত কৃষক তালিকা স্বচ্ছ করতে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সচেতনদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা যেতে পারে।