• ঢাকা
  • রবিবার, ২৯শে মার্চ, ২০২০ ইং | ১৫ই চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ৪ঠা শাবান, ১৪৪১ হিজরী

বিকাল ৩:৪০

কুয়েতে শ্রমিক শোষনে জহির ও তারেক


নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশ কুয়েত বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার। সরকারি হিসাবে দেশটিতে প্রায় তিন লাখ বাংলাদেশি বিভিন্ন পেশায় কাজ করছেন।

কুয়েতে জহির ও তারেকের অত্যাচার ও নির্যাতনে অতিষ্ঠ আল- তুয়েক কোম্পানীতে চাকুরীরত বাংলাদেশী প্রবাসীরা। এরা মালিকের বিরুদ্ধে শ্রমিকদের উস্কানী দিয়ে মাঠে নামিয়ে আবার মালিকের পক্ষ নিয়ে শ্রমিকদের শায়েস্থা করে থাকেন। এক কথায় কেয়েতে আল তুয়েক ক্লিনিং কোম্পানীর সাইড ম্যানেজার জহিরের কাছে সাধারন শ্রমিকসহ কেহই নিরাপদ নয়।

আল-তুয়েক কোম্পানীতে চাকুরীরত একজন বাংলাদেশী জানান এই কোম্পানীতে জহির ও তারেকের ইচ্ছার বাহিরে কেউ কথা বলতে পারেনা,প্রতি মাসে তাদের চাহিদা মত দিনার দিতে হয় , না দিলে ডিউটি স্থুগিত করা হয়। আবার কাজ পেতে হলে ৪০০ থেকে ৫০০দিনার দিয়ে তাদের খুশী করে কাজ নিতে হয়।

কেউ ছুটি নিয়ে দেশের বাড়ি যেতে চাইলে উতকোচ স্বরুপ ১০০ থেকে ২০০ দিনার দিতে হয় যা তারা দুজন সমান হারে ভাগ করে নেন। শ্রমিকদের দাবী আল তুয়েক ক্লিনিং কোম্পানীর অপারেশন ম্যানেজার তারেক গ্রেফতার হয়ে শ্রীঘরে অথচ জহিরও তো একই অপরাধী, তবে এখনো সে কি করে স্বাধীন ভাবে ঘোরা ফেরা করে ?

খোজ নিয়ে যানা যায় জহির গত ১৬ বছর যাবত কুয়েতে রয়েছেন। । প্রথম সে কেয়ার সার্ভিস কোম্পানীতে একজন ক্লিনার হিসেবে এলেও সর্বশেষ সেখানে ড্রাইভার হিসেবে কাজ করেন। অবশেষে সুযোগ পেয়ে আল তুয়েক কম্পানীতে আবাসন (আকামা) বদল করেন। কোম্পানীতে কাজ আর মালিকের তোশামদি করতে করতে অবশেষে ৭ বছরে বড্ড শক্ত অবস্থান বানিয়ে নিয়েছে।

ইতোমধ্যে সাইড ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। ভিসা দুর্নিতী ও সাধারন শ্রমিকদের হতে ঘুষ ও দুর্নিতীর অর্থে চাঁদপুর মতলব থানার জহিরের এখন সম্পদের কোনো কমতি নাই। গাড়ি,বাড়ি,নারী সবই তার অনেক আছে। মিরপুর সারে ১১নং সেক্টরে জহিরের ১কোটি টাকার জমির উপর ৮তলা ভবনের মালিক সে। অথচ কম্পানীর বিশ্বস্ত একাধিক শুত্র মতে এই জহিরের দেওয়া ভিসায় রয়েছে পাঁচ শতাধিক শ্রমিক যাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে নগদ ৭থেকে ৮লক্ষ টাকা।

তার অনেক আছে।মিরপুর সারে ১১নং সেক্টরে জহিরের ১কোটি টাকার জমির উপর ৩কোটি টাকার ৮তলা ভবনের মালিক সে। কম্পানীর বিশ্বস্ত একাধিক শুত্র মতে এই জহিরের দেওয়া ভিসায় রয়েছে পাঁচ শতাধিক শ্রমিক যাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে নগদ ৭থেকে ৮লক্ষ টাকা।