• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৯শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং | ৪ঠা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২১শে রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী

দুপুর ২:৪১

কবিগুরুর জন্মোৎসবে নওগাঁ সাহিত্য পরিষদের ব্যাতিক্রমী আয়োজন


নওগাঁ প্রতিনিধি: গত ২৫ বৈশাখ ছিল কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৮ তম জন্মোৎসব। এ উপলক্ষে মুখরিত হয়ে উঠেছিল নওগাঁর আত্রাইয়ে কবিগুরুর পতিসর কাচারী বাড়ি।

দিনটি পালনে জেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে দিনব্যাপী ছিল নানা আয়োজন। আর পতিসর প্রাঙ্গনে বসেছিল গ্রামীন মেলা। সব মিলিয়ে পতিসর প্রাঙ্গন ছিল মুখরিত। তবে এত কিছুর মধ্যে একটি বিষয় উপস্থিত সকলের কাছে ছিল বেশ কৌতুহলী। পতিসরের মিউজিয়ামের সামনে পুকুরপাড়ে সান বাধানো দুইটি গাছে, কে বা কারা যেন ব্যানার টাঙাচ্ছে। এগিয়ে গিয়ে দেখা গেল ব্যানারে লেখা আছে কবিগুরুর জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে প্রকাশিত ভাজপত্র -বৈকুন্ঠ- এর পাঠ উন্মোচন ও কবিতাভ্রমন। আয়োজনে “নওগাঁ সাহিত্য পরিষদ”।

এরপর ব্যানারের সামনে সকলে একটা করে ভাজপত্র হাতে নিয়ে দাড়িয়ে গেল। যেখানে লেখা আছে কবিগুরুর বরেন্দ্র অঞ্চলে উন্নয়ন,ছোটদের নিয়ে লেখা, আর্টশিল্প, তালগাছ কবিতার ভাবার্থ সহ কবিকে উৎসর্গ করে লেখা কবিতা ও লেখকদের চোখে কেমন ছিল কবিগুরু তার বর্ননা।

হাতে হাতে সকলে ভাজপত্র নিয়ে সেটা পড়ে দেখার মধ্য দিয়ে পাঠ উন্মোচন শেষ করে সকলে সেখানে বসে পড়ল। এরপর শুরু হল কবিতা পাঠ পর্ব। পাঠকৃত কবিতা কিছু ছিল কবিগুরুর নিজের লেখা ও কিছু স্বরচিত যা কবিগুরুকে উৎসর্গ করে লেখা।

উপস্থিত আগন্তক সকলে আরও বেশী আকৃষ্ট হলেন যখন ঘোষনা করা হল এবার যে কবিতাটি আবৃত্তি করছি তার নাম “দুই বিঘা জমি”। এটি কবির একটি বিখ্যাত কবিতা। সবচেয়ে সৌভাগের বিষয় এই যে,” দুই বিঘা জমি” যেটা আবৃত্তি করা হবে সেটা এই “দুই বিঘা জমি” যেখানে এখন আমরা দাড়িয়ে আছি।

আলাপ করে জানা গেল, আয়োজক ‘নওগাঁ সাহিত্য পরিষদ। যেটি নওগাঁ জেলার কবি সাহিত্যিকদের একটি সংগঠন। এ সংগঠনের পক্ষ হতে বিভিন্ন সময় সদস্যদের লেখা অনুগল্প,কবিতা, প্রবন্ধ, নিবন্ধ নিয়ে – বৈকুন্ঠ- নামে ভাজপত্র আকারে একটি কাগজ প্রকাশ করা হয়।

কবিগুরুর জন্মোৎসবের কবিতা ভ্রমন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, সংগঠনটির আহবায়ক, উপন্যাসিক ও কলামিষ্ট আশরাফুল নয়ন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনটির উপদেষ্টা কবি রাজা বর্নিল, যুগ্ম আহবায়ক কবি অরিন্দম মাহমুদ, যুগ্ম সদস্য সচিব কবি রিমন মোরশেদ, এবং কবি গীতিকার আবৃত্তিকার ও সাংবাদিক মারিয়া আজাদ সহ অন্যান্যরা।

কবিতা পাঠ শেষে সেখানে অন্য একটি ব্যানার টাঙিয়ে পতিসরে পতিষ্ঠিত রবীন্দ্র গবেষনা ইন্সটিটিউটকে অবিলম্বে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তভুক্ত করার দাবী জানানো হয়।