• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২রা এপ্রিল, ২০২০ ইং | ১৯শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ৮ই শাবান, ১৪৪১ হিজরী

দুপুর ১:২১

ইরাকে মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে হামলার ঘটনায় আবারো মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য অবশ্যই তেহরানকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা বলেছেন, মার্কিনদের আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে হামলা চালিয়েছে ইরাকিরা। হামলার হুমকিদাতাদের যেকোনমূল্যে পরাস্ত করার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। এরমধ্যেই, সরকারের আহ্বানে মার্কিন দূতাবাস এলাকা থেকে আন্দোলন প্রত্যাহার করেছে ইরানপন্থী ইরাকি যোদ্ধারা।
বুধবারও বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ করেন ইরানপন্থী ইরাকের কাতাইব হিজবুল্লাহর কর্মী-সমর্থকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কুয়েত থেকে নৌ-সেনা উড়িয়ে আনে ট্রাম্প প্রশাসন। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গে ছোড়া হয় টিয়ারশেল।
এরমধ্যেই, বিক্ষোভ বন্ধ কোরে দূতাবাস চত্ত্বর ত্যাগে, ইরাকি সরকারের আহ্বানের পরই ওই এলাকা ছেড়ে যায় বিক্ষোভকারীরা।
দূতাবাসের নিরাপত্তা জোরদারে যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনা থেকে আনা হয় সাড়ে সাতশ’ মার্কিন সেনা। ওই হামলার জন্য শুরু থেকেই ইরানকে দায়ী করে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প জানান, চড়া মূল্য দিতে হবে ইরানকে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগনীতি অব্যাহত রাখবে ওয়াশিংটন।
জবাবে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয়নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি বলেছেন, ইরাকে মার্কিনবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। ক্ষোভ থেকেই বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে আগুন দিয়েছে ইরাকিরা।
যুক্তরাষ্ট্রের ভুলেই ইরাকে আধিপত্য বিস্তারের সুযোগ পেয়েছে ইরান। এমনটাই মত বিশ্লেষকদের।
পশ্চিম ইরাক ও পূর্ব সিরিয়ায় মার্কিন হামলায় ইরানপন্থী খাতিব হিজবুল্লাহর ২৫ যোদ্ধা নিহতের পরই উত্তপ্ত হয়ে উঠে বাগদাদ। ইরাকি সামরিক ঘাঁটিতে রকেট হামলায় এক মার্কিন নিহতের জেরে ওই অভিযান চালানো হয় বলে দাবি যুক্তরাষ্ট্রের।
তথাকথিত গণবিধ্বংসী অস্ত্রের অজুহাতে ২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেনের দুর্গে আক্রমণ করে মার্কিন বাহিনী। ৮ বছর পর ফিরে যায় তারা। জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস ও গৃহযুদ্ধ দমনে তিন বছর পর আবারো দৃশ্যপটে হাজির মার্কিন বাহিনী। বুধবার ইরানপন্থীদের মোকাবিলায় নতুন কোরে ইরাকে সেনা মোতায়েন করলো ট্রাম্প প্রশাসন।

নতুন কাগজ/আরকে