• ঢাকা
  • বুধবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং | ৮ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২৩শে সফর, ১৪৪১ হিজরী

সকাল ৯:৩০

আবারও আলোচনার প্রস্তাব দিয়ে মোদিকে চিঠি পাঠিয়েছে ইমরান


কাশ্মীরসহ অন্যান্য সমস্যা গুলির সমাধানে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আলোচনা শুরু করার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার জন্য মোদিকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি লিখেছেন, দু’দেশের মানুষের দারিদ্রের মোকাবিলা এবং উন্নয়নের স্বার্থে আলোচনায় বসায় একমাত্র রাস্তা। ইমরানের এই চিঠি নিয়ে অবশ্য নয়াদিল্লির তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। খবর আনন্দবাজার।

শুধু ইমরানই নয়, নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে চিঠি দিয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি।

চিঠিতে কুরেশিও জানিয়েছেন, দুই প্রতিবেশী দেশের খুব দ্রুত আলোচনার টেবিলে বসা প্রয়োজন। আগামী ১৩-১৪ জুন কিরগিজস্তানের বিশকেক-এ এসসিও সম্মেলনে যোগ দিতে যাবেন ভারত এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।

কিন্তু সেখানে মোদি ও ইমরানের মধ্যে বৈঠকের সম্ভাবনা নেই বলে কালই স্পষ্ট করে দিয়েছে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

তবে কূটনৈতিক সূত্রের বক্তব্য, আলোচনার টেবিলে না বসলেও দুই রাষ্ট্রনেতার একাধিক বার বিশকেক-এ দেখা হবে এবং সৌজন্য বিনিময়ও হবে। ফলে এই সম্মেলনের কয়েকদিন আগে ইমরান ও কুরেশির চিঠি তাৎপর্যপূর্ণ।

ভারতে ভোটের প্রচারের সময় থেকেই ইমরান বার্তা দিয়েছিলেন, মোদি এলে সেটা পাকিস্তানের পক্ষেই সুবিধাজনক। ভোটের ফল ঘোষণার আগেই মোদিকে আগ বাড়িয়ে অভিনন্দনও জানিয়েছিলেন তিনি।

সাউথ ব্লকের আধিকারিকেরাও স্বীকার করে নিচ্ছেন যে, পুলওয়ামায় হামলার পর থেকে যে আলোচনা বন্ধ ছিল, তা শুরু করা প্রয়োজন। ভোট শেষ, এ বার আন্তর্জাতিক মহলে বার্তা দিতে এবং দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তির বাতাবরণ তৈরি করতে মোদি উদ্যোগী হবেন বলে মনে করছেন অনেকে।

তবে সাউথ ব্লকের একাংশ মনে করছেন, এখনই অহেতুক তাড়াহুড়ো করতে চাইবেন না মোদি। তাতে তার নিজের ঘরে ভুল বার্তা যেতে পারে।

তবে সূত্রের খবর, ইমরান ও কুরেশির চিঠিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশকেক-এর সম্মেলন শুরু হতে বাকি আরও দিন ছয়েক। এর মধ্যে পাকিস্তান আরও কিছু পদক্ষেপ করে কি না, সে দিকে নজর রাখছে দিল্লি।