• ঢাকা
  • সোমবার, ২১শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং | ৬ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২১শে সফর, ১৪৪১ হিজরী

সকাল ৮:৪২

আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না


মো: সাহেদ : পদ্মা সেতুর জন্য ‘রক্ত ও মাথা’দরকার বিষয়ে গুজব ছড়ানোর পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশে। কোথাও কোথাও নির্মম সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। এতে  রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে পাঁচ জনের  মৃত্যু হয়েছে। এ অভিযোগে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু গুজব থেমে নেই।  পুলিশ এই অপরাধ সম্পর্কে দেশবাসীকে সতর্ক করেছে। পুলিশের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণপিটুনি দিয়ে মৃত্যু ঘটানো ফৌজদারি অপরাধ। কাউকে ছেলেধরা সন্দেহ হলে ‘গণপিটুনি’ না দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিতে বলা হয়েছে। পুলিশের এ বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে আমরাও একমত।

আমরা মনেকরি গুজব হলো প্রচারণার একটি কৌশল মাত্র। অনেক ক্ষেত্রে ভুল তথ্য এবং অসংগত তথ্য বোঝাতে গুজব শব্দটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতেই গুজবের আশ্রয় নেওয়া হয়। গুজব সামাজিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির এক মোক্ষম হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার হয়ে থাকে। প্রতিপক্ষের সাফল্য ম্লান করে দেওয়ার অব্যর্থ রাজনৈতিক কৌশল হিসেবেও ব্যবহৃত প্রতিটি গুজবের পেছনে একাধিক স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী থাকে, যারা এই গুজবকে কাজে লাগায়। পদ্মা সেতুর জন্য ‘রক্ত ও মাথা’ প্রয়োজন বলে ফেসবুকে গুজব ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যার ফলও আমরা দেখতে পাচ্ছি। প্রতিদিনই গণমাধ্যমে ছেলেধরা সন্দেহে পিটিয়ে মেরে ফেলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। বিষয়টি এখন পরিস্কার যে, একটি পক্ষ গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে চায়।কাজেই আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীকে এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।শুধূ থাই নয় দেশের জনগনকে এই অপশক্তি সম্পর্কে সজাগ থাকতে হবে। কাউকে সন্দেহ হলে আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে সন্দেহভাজনকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দিতে হবে।

আমারা বিশ্বাস করি  সরকার এ ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা নেবে।