• ঢাকা
  • বুধবার, ১৩ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং | ২৮শে কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৫ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী

দুপুর ১:০৬

অপতৎপরতা বাড়ছে , সজাগ থাকা জরুরী


মো: সাহেদ : কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় খুনোখুনি ও জঙ্গিদের গোপন তৎপরতার খবর পাওয়া যাচ্ছে।  বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাস ও উগ্রবাদীদের অপতৎপরতাও বাড়ছে।  আমরাও  কিন্তু বাইরে নই। গত রোববার একটি গণমাধ্যমে  এ কে-২২ রাইফেলসহ আরও আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধারের খবর সঙ্গত কারনে আমাদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। শুক্রবার রাতে ডিবি পুলিশের একটি দল খিলগাঁওয়ের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে এই আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি উদ্ধারের পাশাপাশি তিনজনকে গ্রেফতার করে। অভিযানের সময় আরও অনেকে পালিয়ে যায়। আমরা জানি, এ মাসেরই প্রথম দিকে রাজধানীর স্বামীবাগ এলাকায় ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে এ কে-২২ রাইফেল ও গুলি উদ্ধার করেন। ওই অভিযানেও অস্ত্রের হাতবদলকারী দু’জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। চলতি সপ্তাহেই ঢাকার গেণ্ডারিয়া থেকে চারটি পিস্তল ও দুটি রিভলবারসহ তিন সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এতে প্রমানিত হয়, সন্ত্রাসীরা  নাশকতার চেষ্টা করছেন।

তাদের উদ্ধারকৃত এসব অস্ত্রের উৎস ও গন্তব্য কোথায় কিংবা এমন মারণাস্ত্রের আদান-প্রদানের লক্ষ্যই-বা কী, এই রহস্যও উন্মোচিত হচ্ছে না। আমরা ভুলে যাইনি, তিন বছর আগে হলি আর্টিসান হামলায় একই মডেলের ভারী অস্ত্র ব্যবহার করেছিল জঙ্গিরা। এরপর এমন অস্ত্র ব্যবহারের আরও সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটেছে। অবৈধ পথে এমন ভারী অস্ত্রের অনুপ্রবেশ যে আরও ঘটেনি, এমনকি জঙ্গিদের হাতে চলে যায়নি- এমন প্রশ্ন অমূলক নয়। অতীতে চট্টগ্রাম, বগুড়া, রাঙামাটিতে অস্ত্রের চালান আটকের ঘটনা ঘটেছে। অনেক ক্ষেত্রেই অস্ত্র উদ্ধার কিংবা আটকের রহস্য আজও উন্মোচন হয়নি।

আমরা মনেকরি এসব রহস্য যতদিন ভেদ করা না যাবে, ততদিন অবৈধ অস্ত্রের উৎসমুখও বন্ধ করা যাবে না। মনে রাখতে হবে, সরকারের কঠোর অবস্থান সত্ত্বেও দেশ জঙ্গিবাদী প্রবণতা থেকে এখনও মুক্ত হয়নি। এ জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে।