ভোট চুরির সংস্কৃতি শুরু হয় জিয়ার আমলে : প্রধানমন্ত্রী

0
9

নিজস্ব প্রতিবেদক :  সরকারের বিরুদ্ধে নেগেটিভ কথাবার্তা বেশি বেশি প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে সাংবাদিকদের প্রতি অাহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কারো কাছে দয়া দাক্ষিণ্য চাই না তিনি বলেন, সরকারের প্রকৃত অর্জনগুলো জনগণের মাঝে তুলে ধরুন দেশের জন্য যদি ভালো কিছু করে থাকি সেটুকু ভালোভাবে পত্রপত্রিকায় বা ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচার করা হলে কৃতার্থ থাকি

বৃহস্পতিবার (১৭ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) অায়োজিত প্রতিনিধি সম্মেলন২০১৮ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন

বিএফইউজে সভাপতি মনজুরুল অাহসান বুলবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগঠনের মহাসচিব ওমর ফারুক

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭২ সালের ১৬ জুলাই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাংবাদিক ইউনিয়নের সম্মেলন উদ্বোধন করতে প্রেস ক্লাবে এসেছিলেন। সেখানে তিনি বলেছিলেন, গণতন্ত্রের একটা নীতিমালা অাছে। সাংবাদিকতারও একটা নীতিমালা অাছে। দুটো মনে রাখলে অামরা অনেক সমস্যা সমাধান করতে পারব

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অওয়ামী লীগ রাজনীতি করে মানুষের কল্যাণে। মানুষ যেন ভালো থাকে, মানুষ যেন দুমুঠো খেয়েপরে ভালোভাবে বাঁচতে পারে সে লক্ষ্য নিয়েই অামরা রাজনীতি করি। এছাড়া অামাদের অারেকটি লক্ষ্য সেটা হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা

কারাবন্দি বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ভোট চুরিতে এক্সপার্ট, মানুষ খুনে এক্সপার্ট, দুর্নীতিতে এক্সপার্ট, তারা (বিএনপি) অাবার গণতন্ত্রের কথা বলেন। যারা বলেন পদ্মাসেতু জোড়া তালির সেতু, সাবমেরিন পানিতে ডুবে যায়, স্যাটেলাইট সম্পর্কে যেসব মন্তব্য করেছে তারা কিভাবে দেশের উন্নয়ন করবে?

শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি আজ কথায় কথায় গণতন্ত্রের কথা বলে। অথচ এই দলটিই দেশের গণতন্ত্রকে হরণ করেছে। ভোট চুরি-ডাকাতির সংস্কৃতির শুরু করেছিল। দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান অস্ত্রের জোরে ক্ষমতায় এসে দেশের গণতন্ত্রকে শেষ করে দিয়েছিল। জোর করে ক্ষমতা দখল করে রেখেছিল। হ্যা, না ভোট দিয়ে গণতন্ত্রের সঙ্গে তামাশা করেছে। ৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোটচুরি করে ক্ষমতায় থেকে খুব বড়াই করছিল তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হলো। কিন্তু আন্দোলন সংগ্রাম করেছে জনগণ; তারা তাদের (জনগণ) ভোটচুরি মেনে নেয়নি। যার ফলে তাকে (খালেদা জিয়া) পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিল

বিএনপির সমালোচনা করে তিনি অারও বলেন, যারা অন্ধকার পথে ক্ষমতায় অাসে তারা গণতন্ত্র দেবে কিভাবে? যারা জনগণের ভোট নিয়ে ছিনিমিনি খেলে তারা কিভাবে দেশের উন্নয়ন করবে?

তিনি আরও বলেন, মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। আওয়ামী লীগ দেশের জনগণের মধ্যেই হারানো মাবাবাভাইয়ের স্নেহ পেয়েছি বলেই আমার একটাই লক্ষ্য, দেশের মানুষের জীবনমান উন্নত করা। আমরা উন্নত হয়েছি, উন্নয়নশীল দেশ হয়েছি, আজ স্যাটেলাইট পাঠিয়ে বাংলাদেশকে অন্য মর্যাদায় নিয়ে গিয়েছি। মাত্র বছরে বাংলাদেশের যে অর্থনৈতিক উন্নতি করেছি, তা আর কেউ পারেনি। মানুষ এখন স্বস্তিতে, শান্তিতে আছে। দুবেলা খাবার পাচ্ছে।

এমকে(007)17-05/09.