ডায়ানার দৃষ্টিতে মেগান

0
5

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক : আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিটিশ রাজপরিবারের বধূ হতে যাচ্ছেন সাবেক মার্কিন অভিনেত্রী মেগান মার্কেল। বাকী আর আর মাত্র কয়েকদিন । যুবরাজ হ্যারির সঙ্গে তার বিয়ের সানাই বাজলো বলে। রাজকীয় বিয়ের সব প্রস্তুতিই সম্পন্ন এরই মধ্যে। এখন গণমাধ্যমের ‘হট টপিক’ এই রাজকীয় বিয়ে। মেগান-হ্যারির বিয়ের নানা খবরের ফাঁকে ফাঁকেই উঠে আসছে হ্যারির প্রয়াত মা প্রিন্সেস ডায়ানার নাম।

গত শনিবার ৭১তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে রাজকীয় এই বিয়ে নিয়ে কিছু বলতে বললে ব্রিটিশ মডেল নাওমি ক্যাম্পবেল স্মরণ করলেন ডায়ানাকে।

প্রসঙ্গত, রাজপরিবারের নানা প্রথার বিরুদ্ধে গিয়ে গণমানুষের হতে চেয়েছিলেন প্রিন্সেস ডায়ানা। রাজকুমারী হলেও জাতপাত মানেননি কখনও। তার মতো মানুষ মেগানের বর্ণ নিয়ে কখনোই মাথা ঘামাতেন না, এটা নিশ্চিত। বরং রাজপরিবারের আমেরিকান বধূ মেগানের গায়ে কোনও সমালোচনার আঁচও লাগতে দিতেন না। আর এ কারণেই মেগানকে বউ হিসেবে পেয়ে ডায়ানার খুশি হওয়ার প্রসঙ্গটি তোলেন নাওমি।নাওমি আরও বলেন, মেগান আর হ্যারির বিয়ে পুরো বিশ্বে বর্ণবাদের বিরুদ্ধে একটি উদাহরণ হয়ে থাকবে।

তিনি বলেন, আমি জানি, এ সময় প্রিন্সেস ডায়ানা থাকলে খুব খুশি হতেন। কারণ তার ছেলে যাকে বিয়ে করতে চেয়েছেন, তাকেই বিয়ে করছেন। এছাড়া মেগানকেও তার খুব পছন্দ হতো বলে আমার মনে হয়। নাওমির এ মন্তব্যের পেছনে অবশ্য ছোট ইতিহাস আছে।

জানা গেছে, ২০১৬ সাল থেকেই চুটিয়ে প্রেম করছেন হ্যারি ও মেগান। ২০১৭ সালের নভেম্বরে গোপনে তাদের বাগদান হয়। ওই মাসের মাঝামাঝি রাজপরিবার তাদের বাগদানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়। প্রিন্স হ্যারির বাবা প্রিন্স চার্লস বাগদানের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলেন, তিনি তার সন্তানের বিয়ের খবর সবাইকে জানাতে পেরে আনন্দিত। কিন্তু প্রিন্স ও তার পরিবার মেগানকে নিয়ে খুশি হলেও প্রাসাদের বাইরের অনেকে মেগানকে রাজবধূ হিসেবে এখনও মেনে নিতে পারছে না।

মেগান-হ্যারির বাগদানের পরপরই ব্রিটিশ পত্রিকা ‘ডেইলি মেইল’ হবু রাজবধূর পারিবারিক ঐতিহ্যকে বোঝাতে তাদের একটি প্রতিবেদনের শিরোনামে লেখে ‘ফ্রম স্লেভস টু রয়্যালিটি’, অর্থাৎ দাসত্ব থেকে রাজত্বে। সেখানে উল্লেখ করা হয়, মেগানের পূর্বপুরুষেরা ছিলেন তুলাশ্রমিক। সেখান থেকে আজ রাজপরিবারের অংশ হতে চলেছেন তারা।

সূত্র: বিবিসি