রমজানে সুস্থ থাকতে করণীয়

0
31

লাইফষ্টাইল ডেস্ক: কাল শুরু হচ্ছে পবিত্র মাহে রমজান। আর এবার রমজান মাসটা শুরু হচ্ছে গরমেই। এই সময়ে রোজা রাখা একটু কষ্টকর। তার পরও অনেকেই আছেন যারা নিজেদের অসুস্থতা সত্ত্বেও পবিত্র এই মাসে রোজা পালন করেন।

শুধু অসুস্থ নয়, বরং সুস্থ ধর্মপ্রাণ মুসলমানও এই গরমে রোজা পালনকালে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।

এ সময় প্রচণ্ড রোদ ও গরমে দেহ পানিশূন্য হয়ে যায়। তাই রমজানে বেশিরভাগ মানুষই পানিশূন্যতায় ভুগে থাকেন।

তবে রমজানে সারা দিনের সুস্থতা অনেকাংশে আপনার নিজের ওপরই নির্ভর করে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, সেহরিতে সঠিকভাবে খাদ্য নির্বাচন এবং কিছু বিষয় মেনে চললে সারা দিন সুস্থভাবেই রোজা করা সম্ভব।

এ ক্ষেত্রে কিছু বিষয় মেনে চলা জরুরি। তারা বলছেন, রমজানে একটি বিশেষ রুটিন মেনে চললে নিরাপদ রোজা পালনের পাশাপাশি আপনার সুস্থতাও নিশ্চিত হবে।

চলুন জেনে নেয়া যাক গরমে স্বাস্থ্যকর রোজা পালনে সেহরি, ইফতার ও রাতের খাবারে কী খাবেন-

সেহরি

প্রোটিন জাতীয় খাবার পানির তৃষ্ণা বাড়ায়। সারা দিন খাওয়া হবে না ভেবে অনেকে সেহরিতে ভূরিভোজ করেন। তাদের খাবারের তালিকায় থাকে মাছ মাংসসহ হরেক পদের প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার। কিন্তু মাছ-মাংস অর্থাৎ প্রোটিন জাতীয় খাবার পানির তৃষ্ণা বাড়ায়, যা রোজাদারের কষ্ট বাড়িয়ে দেয়। তাই এই গরমে সারা দিন তৃষ্ণাহীন ঝরঝরে অনুভূতি পেতে সেহরিতে ভাতের সঙ্গে শুধু সবজি (ভাজি বা ঝোল করে) খান। সেহরিতে অল্প হলেও খান। প্রয়োজনে খেজুর-কলা বা দই-চিড়াও খেতে পারেন।

ইফতার

ইফতারে ভাজা-পোড়া, গুরুপাক ও অতিরিক্ত মশলাদার, রকমারি অস্বাস্থ্যকর খাবার যত কম খাওয়া যায় তত ভালো। বাজার থেকে কেনা ইফতারির চেয়ে ঘরে তৈরি খাবার তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ। এই গরমে সুস্থ থাকতে ইফতারে চিড়ার শরবত হতে পারে অনন্য পানীয়। এ ছাড়া বোতলজাত জুস কিংবা শরবতের পরিবর্তে দুই/ তিনটি খেজুর খেয়ে পানি পান করতে পারেন। খেজুরে আছে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় শর্করা, চিনি, সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, কপার, সালফার, ম্যাঙ্গানিজসহ নানা উপাদান। খেজুর ও পানি মিলে সুক্রোজ তৈরি করে, যা তাৎক্ষণিক প্রাণশক্তি এনে দেয়। তাই ইফতারে ভাজা-পোড়া খাবারের পরিবর্তে খেজুর, পানি, ডিম ও কলা ও ফলমূল খান।

রাতের খাবার

রাতের খাবারে শাক-সবজি, মাছ-মাংস, ডিম, ডালসহ অন্যান্য সুষম খাবার দিয়ে সেরে নিতে পারেন। ইফতারির পর থেকে ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত বার বার পানি পান অভ্যাস গড়ে তুলুন।

 

সজল/এন-২২/১৭-০৫