Natun Kagoj

ঢাকা, শুক্রবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং | ৭ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ | ১লা মুহাররম, ১৪৩৯ হিজরী

জিপিএ–৫ পাওয়াই কি সব?

আপডেট: ২৪ মে ২০১৬ | ০৮:১১

সবাই জিপিএ–৫ এর পেছনে ছুটছে।  ফিনল্যান্ডের মানুষের একটা উদাহরণ দিই। তাদের কাছে শিক্ষা বিষয়টা অনেকটা এ রকম—হয় আমরা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার জন্য তৈরি করব, নয়তো জীবনের জন্য। দ্বিতীয় পথটাই তারা অনুসরণ করেন। তাই তাদের স্কুলে কোনো পরীক্ষা নেই। তবে তাদের শিক্ষার্থীরা জানে কীভাবে ট্যাক্সের কাজ করতে হয়, ওয়েবসাইট বানাতে হয়, শতকরা নির্ণয় করতে হয়। এর কোনো কিছুই শিখিয়ে দেওয়া হয় না। বাস্তব জীবনে করতে দেওয়া হয়। ব্যাপারটা অনেকটা বাধ্য হয়ে ঠেকে শিখছি তা নয়; বরং দেখে শিখছি, বুঝে শিখছি। আমাদের দেশে ঠিক তার উল্টো। শিখতে বাধ্য করা, পরীক্ষায় ভালো করা মানে সর্বোচ্চ জিপিএ পাওয়া। যার কারণে সবাই শুধু জিপিএর পেছনেই ঘুরছে। আগ্রহ নিয়ে শেখার পেছনে নয়।
আয়মান সাদিক
আইবিএ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ, চতুর্থ বর্ষ।

ঐশ্বর্য ফারদীন সাধারণ আর অসাধারণের পার্থক্য ধরা যায় না
আমার মনে হয় জিপিএ-৫-এর সবচেয়ে দুর্বল দিক হলো, এটা সাধারণ ও অসাধারণের মধ্যে পার্থক্যকে ঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারে না। যে শিক্ষার্থী ৮০ পেল এবং যে ১০০ পেল, তাদের মধ্যে বেশ কিছুটা তফাত থাকে। যেটা শেষ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় বোঝা যায়। ওদিকে ‘সোনালি পাঁচ’ এর প্রাধান্য, আর ‘সাধারণ পাঁচের’ অবজ্ঞা শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও জটিল করছে।
বলতে দ্বিধা নেই, যে হারে প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে আর জিপিএ-৫ বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাতে আমাদের শিক্ষা নিজেই আজ প্রশ্নবিদ্ধ। তাই এই শিক্ষাব্যবস্থায় আমি মনে করি না সত্যিকার অর্থে জিপিএ-৫-এর খুব বেশি মূল্য আছে।
ঐশ্বর্য ফারদীন


নতুন কাগজ | এডমিন

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Loading Facebook Comments ...
 বিজ্ঞাপন